পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার শুরু করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এদিন আরও সাত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ওই নৌ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৫৮ জন। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১৩ জন।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক অপারেশনস জিল্লুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, এর মধ্যে জেলার আওলিয়ার ঘাট এলাকা, দেবীগঞ্জের করতোয়া ঘাট এলাকা ও দিনাজপুরের ঝাড়বাড়ি এলাকার একটি নদী থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
তিনি বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় আমাদের উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। আজ ভোরে আবারও অভিযান শুরু হয়। এখনো যারা নিখোঁজ আছেন তাদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলবে।
তিনি বলেন বলেন, সকাল থেকে পঞ্চগড় এবং আশপাশের জেলার আটটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট উদ্ধার কাজ করছে। এর বাইরে রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং রাজশাহী থেকে তিনটি ডুবুড়ি দলে মোট ৯ জন উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছেন।
এদিকে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজের স্বজনরা মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘটনাস্থল করতোয়ার আওলিয়ার ঘাট ও এর আশপাশে নিজ উদ্যোগে তাদের নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজ করছেন।
রোববার দুপুরে বোদা বদ্বেশ্বরী মন্দিরে মহালয়া উৎসব উৎযাপন করতে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী মাড়েয়া এলাকা থেকে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিলেন। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানোর জন্য আওলিয়া ঘাটের করতোয়া নদীর মাঝে যাত্রীসহ ডুবে যায় নৌকাটি। এতে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত নৌকার মাঝি হাসান আলীসহ ৫৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।