ads
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

পপ সম্রাট আজম খানের জন্মদিন আজ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৫৭ বার পঠিত
পপ সম্রাট আজম খান

আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, কিংবদন্তি পপ সম্রাট আজম খানের জন্মদিন। ১৯৫০ সালের আজকের এই দিনে তিনি ঢাকার আজিমপুর সরকারি কলোনির ১০ নম্বর কোয়ার্টারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আফতাবউদ্দিন আহমেদ, মা জোবেদা খাতুন। পুরো নাম মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান হলেও তিনি আজম খান নামে সর্বাধিক পরিচিত।

তিনি একজন বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা, ক্রিকেটার ও বিজ্ঞাপনের মডেল ছিলেন।

বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী একটি প্রজন্মকে রীতিমতো কাঁপিয়েছেন আজম খান। তবে শুধু বাংলাদেশেই নয় গোটা উপ মহাদেশেও আজম খান পেয়েছিলেন অসাধারণ জনপ্রিয়তা। আজম খানকে তাই বলা হয় ‘পপসম্রাট’।

১৯৭১ সালের পর আজম খান ‘উচ্চারণ’ নামে একটি ব্যান্ড প্রতিষ্ঠা করেন। উচ্চারণের গান সঙ্গীত জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেখানে আজম খানের সাথে তার বন্ধু নিলু আর মনসুর গিটার বাজিয়েছিলেন, সাদেক বাজিয়েছিলেন ড্রাম আর আজম খান প্রধান ভোকাল হিসেবে গান করেন।

১৯৭২ সালে বিটিভিতে একটি গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার মাধ্যমে তাদের গান তরুনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সেই অনুষ্ঠানের ‘এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে’ ও ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে’ গান দু’টি সরাসরি প্রচার হলো। ব্যাপক প্রশংসা আর তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয় এ দু’টো গান। দেশজুড়ে পরিচিতি পায় তাদের গান।

১৯৭৪ সালের তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে আরেকটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ (রেললাইনের ঐ বস্তিতে) শিরোনামের গানটি গেয়ে হৈ-চৈ ফেলে দেন।

ব্যক্তিগত জীবনে সহজ সরল জীবন যাপন করতেন আজম খান। মাত্র ২১ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন আজম খান। ওই সময় প্রশিক্ষণ শিবিরে তার গাওয়া গানগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা জোগাতো। প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর তিনি কুমিল্লার সালদায় প্রথম সরাসরি যুদ্ধ করেন। যুদ্ধে দুই নম্বর সেক্টরের একটা সেকশনের ইনচার্জ ছিলেন তিনি। এসময় ঢাকা ও এর আশপাশে বেশ কয়েকটি গেরিলা আক্রমণেও অংশ নেন আজম খান। বিশেষত যাত্রাবাড়ী-গুলশান এলাকার গেরিলা অপারেশনগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পান তিনি। তার নেতৃত্বে সংঘটিত হয় ‘অপারেশন তিতাস’।

সঙ্গীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করেন।

এখনো নিজের গাওয়া গানের মাধ্যমে বেঁচে আছেন আজম খান। তার গাওয়া ‘বাংলাদেশ’, ‘রেল লাইনের ঐ বস্তিতে’, ‘ওরে সালেকা, ওরে মালেকা’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘অনামিকা’, ‘অভিমানী’, ‘আসি আসি বলে’ এর মতো অসংখ্য গান এখনো হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে ২০১১ সালের ৫ জুন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা পপ সঙ্গীতের এক পথপ্রদর্শক আজম খান।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102