গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নেয় শস্য চিত্রে বঙ্গবন্ধু। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা মাঠে ধানক্ষেতে এমন বিরল ক্যানভাসের আজ পরিসমাপ্তি টানছেন আয়োজকরা। কাটা হচ্ছে দোল খাওয়া সোনালী বেগুনি ধান। তিন মাস শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে পেয়ে উজ্জীবিত সবাই। গিনেস বুকে এ শিল্প কর্মের রেকর্ড হওয়ায় গর্বিত বাংলাদেশ।
বগুড়ার শেরপুরে ভবানীপুর ধান ক্ষেতে দোল খাওয়া সোনালী বেগুনি ধানে যেন বঙ্গবন্ধু নতুন এক প্রেরণা। তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে শস্যচিত্রে এমন ক্যানভ্যাসে উজ্জীবিত এলাকার মানুষ। বগুড়ার মাটিকে বঙ্গবন্ধুর শস্যচিত্রে ক্যানভাসের জন্য মনোনীত করায় কৃতজ্ঞ তারা।
কৃষিতে বঙ্গবন্ধুকে দেশে এবং বিশ্বে স্মরণীয় বরণীয় করে রাখতে ধানক্ষেতে তার অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয় বলে জানান আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা এগ্রি কেয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ কেএস এম মোস্তাফিজুর রহমান।
বিশ্ব এতো বড় শস্য চিত্রে বঙ্গবন্ধুর অবয়ব গিনেস ওয়ার্ল্ডে রেকর্ড করে নেয়ায় গোটা জাতি গর্বিত বলে জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম।
তিনি বলেন, ‘কোনো রংয়ের ব্যবহার না করে মাটিকে ক্যানভাস হিসেবে, শস্যকে রংতুলি হিসেবে ব্যবহার করে যুগান্তকারী এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জাতির পিতাকে, বাঙালি জাতিকে, বাংলাদেশকে গোরাবান্বিত করেছে।’
গত ২৯ জানুয়ারি একশ’ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপনের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অবয়ব তৈরির কাজ শুরু হয়। ১৬ মার্চ গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের স্বীকৃতি পায়।