পায়ের ব্যান্ডেজের ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে পাচারের সময় অবশেষে যশোরের শার্শার সাতমাইল এলাকা থেকে ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ জামাল হোসেন ও তার সহযোগী আজিজুলকে আটক করেছে পুলিশ।
এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। দির্ঘদিন ধরে এমন পদ্ধতিতে মাদক পাচার করে আসছিল চক্রটি। অপরদিকে, একই সময় পৃথক একটি অভিযানে ৮০ বোতল ফেনসিডিলসহ শাহানারা ও শিরিনা নামে দুই নারীকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বিকেলে শার্শা সীমান্তে পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে মাদকসহ আটক করে শার্শা থানা পুলিশ।
আটক জামাল মুন্সিগঞ্জের পয়সা গ্রামের ছামাদ দেওয়ানের ছেলে এবং প্রাইভেটকার চালক আজিজুল শার্শার গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে। অপরদিকে, শাহানারা শার্শার লাউতাড়া গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী এবং শিরিনা বেনাপোলের রাজগঞ্জ গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে সীমান্ত পথে কয়েকটি মাদকের চালান দেশের অভ্যন্তরে পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। একপর্যায়ে শার্শার সাতমাইল এলাকায় একটি প্রাইভেটকার ধাওয়া করে জামালকে ধরা হয়। পরে তার পায়ে জড়ানো ব্যান্ডেজের মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৪৮ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।
সে দির্ঘদিন ধরে এমন কৌশল অবলম্বন করে ফেনসিডিলের ব্যবসা করে আসছিল। আটক জামালে বিরুদ্ধে চাদাবাজি মামলাও রয়েছে। অপর আর দুটি অভিযানে শার্শার রাড়িপুকর থেকে শিরিনাকে ৩০ বোতল ও বসতপুকুর গ্রাম থেকে শাহানারা ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এরা দু’জনও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে এলাকায় পরিচিত।
শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বদরুল আলম জানান, আটককৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে মাদক পাচার আইনে মামলা হয়েছে।