ভাসানচরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের বড় সংকট বেকারত্ব, অলস সময়ের হতাশায় নতুন সঙ্কট তৈরির শঙ্কা।
কুতুপালং থেকে ভাসানচর স্থানান্তর হয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগণের জন্য বড় একটি সংকট হলো বেকারত্ব। অলস সময় কাটিয়ে হতাশাগ্রস্ত হলে তা নতুন সংকটের জন্ম দেবে। সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে এই সংকট মোকাবিলায় এরিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। ২৫টি এনজিওসহ সরকারী-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও রোহিঙ্গাদের কর্মসংস্থানে এগিয়ে আসছে।
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কবে শুরু হতে পারে তা অনিশ্চিত। তবে দেশে তাদের ফিরতেই হবে এই প্রণোদনা বিভিন্নভাবেই দেয়া হচ্ছে।
ভাসানচরে আসা রোহিঙ্গাদের অলস বসিয়ে না রেখে কাজের বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। মাছ ধরা, কৃষি কাজ, মহিষ, হাঁসমুরগী পালন, সেলাই প্রশিক্ষনের মতো কাজে সহায়তা দিতে এরইমধ্যে কাজ করছে ২৫টি এনজিও। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড দিচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষন। শিশুদের জন্য স্কুল চলছে পুরোদমে।
কে ক্রাফ্টের মতো পোশাক বিক্রয়কেন্দ্র সরকারের সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের হাতের কাজের প্রশিক্ষন দিচ্ছে।
কে ক্রাফটের স্বত্ত্বাধিকারী খালিদ মাহমুদ বলেন, যারা কাজহীন বা অলস সময় কাটাচ্ছেন সেই সময়ের একটা অবসান হবে। তারা যদি এই কাজটা সঠিকভাবে করতে পারে তাহলে যেখানেই থাকুক না কেনো তারা অর্থনৈতিকভাবে সামলম্বী হতে পারবে।
কাজ চান রোহিঙ্গারাও। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজ না করার অজুহাতও রয়েছে তাদের।
প্রকল্প পরিচালক কমোডর আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভবিষ্যতে আরও অন্তত সাতটি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে তাদের পাঁচদিনের একটা মোটিভেশনাল প্রোগ্রাম করছি। এর মাধ্যমে কারা কে কি কাজ করতে পারবে সেই অনুযায়ি তাদের কাজে লাগানো হবে। প্রতিদিন দেড়শ থেকে দুইশ রোহিঙ্গা বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছে।
বিভিন্ন কাজে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমার গেলেও তাদের কাজে লাগবে বলে মনে করেনে রোহিঙ্গারাও।