রাজধানীর রামপুরার চৌধুরীপাড়ার লোহার গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮৫ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় পাঁচজনকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত এতো মূল্যবান সাপের বিষ এসেছে ইউরোপের দেশ ফান্স থেকে। তবে বাংলাদেশে আসার পর এই বিষের গন্তব্য কোথায় তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।
শুক্রবার বিকেলে রামপুরা থানার চৌধুরীপাড়া লোহার গেট এলাকার তাৎক্ষণিক এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-১২ উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মশিউর রহমান।
তিনি জানান, ঢাকার রামপুরা থানা এলাকায় একটি চক্রের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ সাপের বিষ হাতবদল করছে- এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হঠাৎ অভিযান চালানো হয়। এ সময় চক্রের পাঁচ সদস্য শফিকুল ইসলাম, জহিরুল হক, মজিবুর রহমান, দুলাল ও মোকলেসুর রহমানকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১২ পাউন্ড সাপের বিষ, ৬টি টেস্টিং কিড, সিডি ও একটি ম্যানুয়াল উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা বিষ লিকুইড ও ক্রিস্টাল হিসেবে পাওয়া গেছে। এদিকে আটক এই পাঁচজনকে সাপের বিষ বাহক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, সাপের বিষের বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ব্যবহার রয়েছে। সাপের বিষ মাদক ও ওষুধ তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয়।
Daily Bangladesh :: ডেইলি বাংলাদেশ☰
জাতীয় করোনাভাইরাস সারাদেশ রাজধানী আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিনোদন খেলা ধর্ম লাইফস্টাইল সাত রঙ অর্থনীতি তথ্যপ্রযুক্তি প্রথম প্রহর নামাজের সময়সূচি আর্কাইভস
হোম রাজধানী
ফ্রান্স থেকে আসল সাপের বিষ, গন্তব্য কোথায়?
নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
প্রকাশিত: ১৯:৪৮ ৮ জানুয়ারি ২০২১
A- A A+
উদ্ধার করা ফ্রান্স থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা সাপের বিষ- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ
উদ্ধার করা ফ্রান্স থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা সাপের বিষ- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ
রাজধানীর রামপুরার চৌধুরীপাড়ার লোহার গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮৫ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় পাঁচজনকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত এতো মূল্যবান সাপের বিষ এসেছে ইউরোপের দেশ ফান্স থেকে। তবে বাংলাদেশে আসার পর এই বিষের গন্তব্য কোথায় তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।
শুক্রবার বিকেলে রামপুরা থানার চৌধুরীপাড়া লোহার গেট এলাকার তাৎক্ষণিক এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-১২ উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মশিউর রহমান।
তিনি জানান, ঢাকার রামপুরা থানা এলাকায় একটি চক্রের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ সাপের বিষ হাতবদল করছে- এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হঠাৎ অভিযান চালানো হয়। এ সময় চক্রের পাঁচ সদস্য শফিকুল ইসলাম, জহিরুল হক, মজিবুর রহমান, দুলাল ও মোকলেসুর রহমানকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১২ পাউন্ড সাপের বিষ, ৬টি টেস্টিং কিড, সিডি ও একটি ম্যানুয়াল উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা বিষ লিকুইড ও ক্রিস্টাল হিসেবে পাওয়া গেছে। এদিকে আটক এই পাঁচজনকে সাপের বিষ বাহক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, সাপের বিষের বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ব্যবহার রয়েছে। সাপের বিষ মাদক ও ওষুধ তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয়।
আটকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, ফ্রান্স থেকে সংগৃহীত সাপের বিষ চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। অবৈধভাবে এসব বিষ বহন করছিল আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া এসব বিষের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য ১০ মিলিয়ন ডলার।
ফ্রান্স থেকে আসা সাপের বিষ চিহ্নিত করার ব্যাপারে মেজর মোহাম্মদ মশিউর রহমান জানান, উদ্ধার করা বিষের সঙ্গে থাকা ম্যানুয়াল দেখে ফ্রান্সের উৎপাদিত সাপের বিষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বিষ চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে এসেছে। ফ্রান্স থেকে আসা এসব সাপের বিষ বাংলাদেশ হয়ে কোথায় যাচ্ছিল তা খোঁজ নিতে তদন্ত চলছে।
উদ্ধার করা সাপের বিষয় আসল কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে মেজর মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত যেসব প্রমাণ মিলেছে তাতে আসল সাপের বিষ মনে হচ্ছে। তবে আমরা সন্দেহজনক বিষ হিসেবে উল্লেখ করছি।