বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্ত্রীর লাশ রেখে স্বামী পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে দুলালীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
দুলালী খাতুন ধুনট পৌর এলাকার চরপাড়া গ্রামের চান্দু ফকিরের মেয়ে। তার স্বামী মজনু মিয়া উপজেলার বেলকুচি গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজনুর সঙ্গে দুলালীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে মজনু পারিবারিক সম্মতি ছাড়াই চার মাস আগে দুলালীকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বিভিন্ন কারণে ঝামেলা লেগেই থাকতো। সবশেষে রোববার সকালে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে দুলালীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। পরে মজনুসহ তার স্বজনরা দুলালীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর পরপরই মজনু ও মজনুর পরিবারের লোকজন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে দুলালীর স্বজনরা হাসপাতালে আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আশরাফুল কবীর বলেন, দুলালীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। মৃতদেহের ফাঁস লাগানোর আলামত পাওয়া গেছে।
দুলালীর ভাই ফজলুল হক বলেন, খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি। দুলালীর মৃত্যুর কারণ এখন বলতে পারছি না।
জানতে চাইলে ধুনট থানার ইন্সস্পেক্টর (তদন্ত) জাহিদুল হক বলেন, এ বিষয়ে এখনি কিছু বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া গেলে জানা যাবে। কী ঘটেছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।