প্রতিদিন সকালেই ঘন কুয়াশার আচ্ছাদনে ঢাকা পড়ছে দেশের উত্তরাঞ্চল। কমে আসছে দৃষ্টির সীমানা। এতে কমে গেছে যানবাহনের গতিও। কুয়াশার দাপটে খুব কাছাকাছি থেকেও দৃশ্যমান হয় না কিছুই। টিমটিম করে জ্বলছে গাড়ির হেডলাইট। শুধু শ্বেতশুভ্র কুয়াশা। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে, তাই ধীর গতিতেই চলছে যানবাহন।
হামিদুর রহমানে নামে এক বাসচালক জানান, সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে এসে মাত্র আটটায় এখানে এসে পৌঁছেছি। অন্য সময়ে এই গাড়ি ভোর পাঁচটায় পঞ্চগড়ে পৌঁছায়। রাস্তায় অনেক কুয়াশা। অনেক সময়ে লাইটও কাজ করে না।
অনেক বেলা গড়ালেও মুখ তোলেনি হিমকুয়াশার দাপটের কাছে হারমানা সূর্য। তাই জীবনের গতিও স্থবির হয়ে পড়েছে। খুব কম মানুষই পথে নেমেছেন কাজের সন্ধানে।
কাজে বের হওয়া মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, আজকে অনেক কুয়াশা একই সঙ্গে ঠান্ডাও বেড়েছে। রাস্তায় গাড়িও নেই।
তবে কুয়াশার তুলনায় খুব একটা বাড়েনি শীতের তীব্রতা।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কুয়াশা ও ঠান্ডা দুইটা এক সঙ্গে ঘটে তা কিন্তু ঠিক নয়। এখানে কিছু প্যারামিটার রয়েছে। যে কারণে মাঝে মাঝে শীত বেশি পরলেও কুয়াশা বেশি হয় না।
সোমবার সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ এবং রংপুরে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
এ বছরের সর্বোচ্চ কুয়াশা ঝরছে আজ। আবহাওয়া অফিস বলছে, বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বেশি কুয়াশা হচ্ছে।