ads
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

বরখাস্ত ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশিদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৭ বার পঠিত

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ উপার্জনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় কারারক্ষী বাহিনীর বরখাস্ত হওয়া উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশিদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি বজলুর রশিদকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে আরও ছয় মাসের কারাভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধভাবে অর্জিত ৩ কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় বজলুর রশিদ আদালতে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাঁকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ মামলায় রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছিল।

বিচার চলাকালে মামলার অভিযোগকারীসহ প্রসিকিউশনের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এই মামলায় ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। দুদকের উপপরিচালক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন একই বছরের ২৬ আগস্ট ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা মামলায় দুদক বজলুরকে আটক করে গত বছরের ২০ অক্টোবর তাঁকে গ্রেপ্তার দেখায়। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বজলুর রশিদ রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের দ্বিতীয় তলায় ২ হাজার ৯৮১ বর্গফুট ফ্ল্যাট কিনতে ২০১৮ সালে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের সঙ্গে একটি চুক্তি করেন। চুক্তিতে ফ্ল্যাটটির মূল্য বাবদ ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা লেনদেনের বিষয়ে বলা হয়েছিল। ওই বছরের ২০ এপ্রিল থেকে ৭ জুনের মধ্যে তিনি নগদ ও চেকে এই অর্থ পরিশোধ করেন। কিন্তু দুদক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সেই টাকার সঠিক কোনো উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। এমনকি আয়কর নথিতেও ফ্ল্যাট কেনার টাকার হিসাব তিনি দেখাননি। তদন্ত শেষে তাঁর মোট ৩ কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া যায়।

১৯৯৩ সালে জেল সুপার হিসেবে চাকরি শুরু করেন বজলুর রশিদ। ২০১৩ সালে তাঁকে ডিআইজি প্রিজন হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102