বরগুনার দুটি উপজেলায় থেকে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়েছে করোনার টিকা। সিভিল সার্জনের দাবি, ব্যবহার না হবার আশঙ্কায়, পাঠানো হয়েছে দুই হাজার ডোজ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও বলছে, উপজেলা পর্যায়ে টিকা নিতে আসছেন না অনেকে।
গেল ২৯ জানুয়ারি ২৪ হাজার ডোজ করোনার টিকা আসে, বরগুনার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। জনসংখ্যার অনুপাতে তা ভাগ করে দেয়া হয়, প্রতিটি উপজেলায়।
এরমধ্যে আমতলী ও তালতলী উপজেলায় পাঠানো হয়, ৭ হাজার ২৮০ ডোজ। ৭ মার্চ পর্যন্ত…দুই উপজেলার প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, ৪ হাজার ১১১ জন। আর পুরো জেলায় ২৭ হাজার মানুষ নিবন্ধন করলেও টিকা নিয়েছেন ১৭ হাজার।
তবে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ থাকলেও, দুই উপজেলায় বিতরণ করা দুই হাজার ডোজ ফেরত পাঠানো হয় ৭ মার্চ। সিভিল সার্জনের দাবি, ব্যবহার না হওয়ার আশঙ্কায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে ভ্যাকসিন।
অন্যান্য জেলাতেও করোনার টিকা নিতে মানুষের আগ্রহ কম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও বলছে, উপজেলা পর্যায়ে টিকা নিতে অনেকেই আসছেন না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা নেবার বিষয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরিতে প্রচারণা আরও বাড়াতে হবে। আগামী ৭ এপ্রিল থেকে সারা দেশে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেবার পরিকল্পনা রয়েছে।