ঢাকার ধামরাইয়ে নেট ব্যবসার জেরে পূর্ব শত্রুতা ও নির্বাচনী বিরোধের হামলা থেকে বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে রিফাত রেজওয়ান রাতুল (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তারই আরেক ভাই রায়হান সোবাহান অর্ণব গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে এ ঘটনায় মো. সুজন নামে অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাতে সাড়ে ৮টার দিকে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ভাড়াকৈর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতুল সাভারে ইন্টারনেট ব্যবসা করতেন। সেই ব্যবসার জেড়ে কিছু লোকের সঙ্গে তার ঝামেলার সৃষ্টি হয়। গতকাল নির্বাচন পরবর্তী সময় সুজন নামে এক যুবক প্রায় একশ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিয়ে এসে রাতুলদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বাবাকে মারধর শুরু করে। এসময় রাতুল ও অর্ণব বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাদের পিটিয়ে আহত করা হয়। অর্ণবের মাথায় হকি স্টিক দিয়ে আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তার পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়। একই সময় রাতুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে তারা চলে যায়। এসময় গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে রাতুলের মৃত্যু হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য অর্ণবকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস বলেন, শত্রুতার জেরে ওই যুবককে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে আজ একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুজন নামে একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।