বরগুনায় অপহরণের ২০ ঘণ্টা পরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে কিশোরী অপহরণের অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ওই কিশোরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা প্রবাসী।
শিক্ষার্থীর মা জানান, সোমবার শেষ বিকেলে ওই কিশোরী বাড়ির সামনে দাঁড়ানো ছিল। সন্ধ্যার পর ঘরে না ফেরায় মেয়েকে খুঁজতে শুরু করেন। তিনি মেয়েকে না পেয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নেন। রাতভর খুঁজেও সন্ধান না পাওয়ায় মঙ্গলবার সকালে বরগুনা সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়।
ওই মেয়ের বড় ভাই বলেন, সকাল ৯ টার দিকে আমার মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তায় জানানো হয়, বোনকে অপহরণ করা হয়েছে এবং তাকে মুক্ত করতে হলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে বোনকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয় অপহরণকারীরা।
এদিকে বরগুনা সদর সার্কেলের এসপি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। দুপুর আড়াইটার দিকে অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রীর বাড়ির পাশের একটি খালি ঘর থেকে হাত পা ও মুখ বাধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
সদর থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি অসুস্থ, তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার পর অপহরণকারীদের ব্যাপারে তথ্য জানা যেতে পারে। আপাতত আমরা তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ফারুক হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।