নোয়াখালীর সুধারামের পশ্চিম মাইজদী গ্রামে বিয়েতে কনের মাকে কম দামি শাড়ি দেয়ায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কনের ভাই আহত হয়েছে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে নোয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাতে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে একইদিন দুপুরে তার বড় ভাই রুবেলকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। দুই ভাই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। জহিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
আহত জহির (১৫) এলাকার একটি স্কুলের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আহতদের স্বজনরা জানান, দীর্ঘ ৩০ থেকে ৩৪ বছর যাবত পশ্চিম মাইজদীর গ্রামের আলমগীরের বাড়িতে ছালাউদ্দিন পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন। প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া রাজুর সাথে তার মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। তবে এতে বাড়ির মালিক আলমগীর ও তার লোকজন বাধা দেয়। একপর্যায়ে বাধা উপেক্ষা করে বিয়ে দিলে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার (১৯ মার্চ) বিয়ের দিনে মেয়ের মাকে শাড়ি দেয় বরপক্ষ। কিন্তু তা কম দামি হওয়ার বাড়ির মালিকের লোকজন এ নিয়ে সমস্যা করা শুরু করেন। এ নিয়ে মেয়ের ভাইদের সাথে বাড়ির মালিকের লোকজনের কথাকাটি হয়। এরপর বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে মামুন, লিটন, মারুফ, অন্তর রাতে জহিরকে পার্শ্ববর্তী বাগানে নিয়ে মারধর করে।
এ ঘটনার বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহেদ উদ্দিন জানান, এ ঘটনা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।