এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং গোপন বুথের বাইরে (কালো পর্দার বাইরে) ইভিএম মেশিন রেখে ভোটারদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করাসহ নানা অভিযোগে এনে লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভা নির্বাচনের ছয় মেয়র প্রার্থীর চারজনই ভোট বর্জন করেছেন।
রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রামগতি উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন প্রার্থীরা।
নির্বাচন বর্জনকারী প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী সাহেদ আলী পটু, জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলমগীর হোসেন এবং দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আবি আবদুল্লাহ (নারিকেল গাছ) ও মো. জামার হোসেন (জগ)।
প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদেই এসব অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ভোট বর্জনকারী প্রার্থীদের।
এসময় বিএনপির মেয়র প্রার্থী সাহেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘ইভিএম আওয়ামী লীগ নেতাদের দখলে। তারা ভোটারদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করছেন। প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং না দেখার ভান করছেন। আমি এজন্য ভোট বর্জন করেছি।’
অন্যদিকে জাপা প্রার্থী আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। মারধর করা হয়েছে। নৌকায় ভোট দিতে আওয়ামী লীগের নেতারা ভোটারদের বাধ্য করছে। এ নির্বাচনে থাকার প্রয়োজন নেই। আমি ভোট বর্জন করেছি।’ একই অভিযোগ স্বতন্ত্র দুই প্রার্থীরও।
এ বিষয়ে রামগতি পৌর নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী হেকমত আলী বলেন, ‘ভোট বর্জনের বিষয়টি আমি জানি না। কালো পর্দার বাইরে ইভিএম থাকার কথা নয়। কোথাও ছিল কিনা তা কেউ আমাকে জানায়নি। কেউ যদি নিয়ম ভঙ্গ করে আর তা যদি প্রমাণ হয় তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।’