কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া মহাবিদ্যালয়ের অফিস সহকারী হাসিনা বানু। জাতীয় পরিচয় পত্রে ভুলের কারণে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি। দিতে পারছেন না কোনো ভোট, নিতে পারছেন না করোনাভাইরাসের টিকাও।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক-কর্মচারীকে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বাকি সবাই টিকা নিলেও জাতীয় পরিচয়পত্রে একটি ভুলের কারণে টিকা নিতে পারছেন না তিনি। ভোটার তালিকায় মৃত দেখানো হয়েছে হাসিনা বানুকে।
ভুক্তভোগী হাসিনা বানু গণমাধ্যমকে বলেন, সাম্প্রতিক পৌরসভা নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে দেখি ভোটার তালিকায় আমার নাম নেই। পরে জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আমার স্ট্যাটাস শূন্য অর্থাৎ আমাকে মৃত বলে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, জীবিত হয়েও আমি মৃত। স্কুল থেকে করোনার টিকা নিতে বলা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত দেখানোয় টিকা নিতে পারছি না। নির্বাচন অফিস থেকে আমাকে আবেদন করতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার আমি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে আবেদন করেছে। এর আগে, টানা ১০ দিন আমাকে বিভিন্ন অফিসে ছোটাছুটি করতে হয়েছে। নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তথ্য সংগ্রহকারী ভুলক্রমে জীবিত হাসিনা বানুকে ভোটার তালিকায় (ডাটাবেজে) মৃত দেখিয়েছেন। এ কারণে হাসিনা বিভিন্ন সুবিধা ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কুষ্টিয়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি জানার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এটা আবেদন জনিত কিংবা ইচ্ছাকৃত ভুল নয়। বরং তথ্য সংগ্রহকারী ভুল করে জীবিত হাসিনা বানুকে ভোটার তালিকায় এন্ট্রি করার সময় মৃত দেখিয়েছেন। এটির দ্রুত সমাধান করা হবে।