স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দুপ্রান্তে যেখানে হচ্ছে সংযোগ সড়ক আর নদী শাসনের কাজ সেখানেই ছিল ফসলের মাঠ। আশপাশ জুড়ে ছিল বহু মানুষের বসবাস।
সেতু নির্মাণের কারণে বাপ দাদার ভিটেমাটি ছাড়তে হয়েছে অনেককেই। সেতু দৃশ্যমান হওয়ায় পুনর্বাসনে থাকা এসব বাসিন্দারা স্বস্তির কথা শোনালেও, একই সাথে বলছেন কর্মহীনতার কথাও। এখন তাই প্রত্যাশা নতুন কর্মসংস্থানের।
সড়কের দুইপাশ জুড়ে লম্বা গাছের সারি, এর পাশেই গড়ে উঠেছে ঘর। মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের তিন এলাকায় গড়ে উঠেছে এমন ৪টি পুনর্বাসন কেন্দ্র। যেখানে বসবাস করেন পদ্মাসেতু নির্মাণের জন্য ভিটেমাটি ছেড়ে দেয়া বহু পরিবার।
কয়েকটি স্থানে গড়ে উঠেছে দোকান। কিছু জমিতে উঠেছে একতলা ও দোতলা বাড়িও। কেউ কেউ আবার পাকা বাড়িতে সীমিত জায়গায় পালন করছেন হাঁস-মুরগি। তবে, কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষগুলোর রয়েছে কাজের সংকটও। পদ্মাসেতুর কথা ভেবে এরপরও খুশি তারা।
পদ্মাসেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রজব আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের স্বাবলম্বী করতে পদ্মাসেতুর টোলের এক শতাংশ এখানকার উন্নয়নে ব্যয় করার প্রস্তাব দেয়া হবে সরকার যদি এপ্রুভ করে দেন এটা ফাইনাল হবে। এটা হলে ব্যক্তি পাবে না তবে তাদের উন্নয়নে খরচ করা হবে।
মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের এই প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১৫০টি প্লট। এরইমধ্যে ৯৭ ভাগ হস্তান্তরও করা হয়েছে। আর ক্ষতিগ্রস্তদের জীবিকা পুনরুদ্ধারে এরইমধ্যে সেলাই ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের কার্যক্রম চালু করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।