ads
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হতে কোনো কিছু করিনি: মুহাম্মদ ইউনূস

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৫ বার পঠিত

আদালতে হাজির হয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বক্তব্য দিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি ন্যায়বিচার দাবি করে বলেছেন, আমি যা করেছি সবই মানুষের জন্য করেছি। ব্যক্তিগত লাভের জন্য কোনো কিছু করিনি। গতকাল বিকালে তৃতীয় শ্রম আদালতে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য জমা দেন তিনি। পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা বলেন আগামী ১৬ই নভেম্বর এ মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার তৃতীয় শ্রম আদালতের জেলা ও দায়রা জজ বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা এ দিন ধার্য করেন।

আদালতের কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি যে সমস্ত উদ্যোগ নিয়েছি কোনোটিতেই ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য করিনি। সেটা গ্রামীণ ব্যাংক কিংবা অন্য বড় কোনো প্রতিষ্ঠানই হোক।

ড. ইউনূস বলেন, অভিযোগের বিষয়ে যা বলার সেটি লিখিতভাবেই বলেছি, যাতে সবাই দেখতে পারে। মানুষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করে মুনাফা করার জন্য। আমরাও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করে বড় করেছি। কিন্তু এসব কার্যক্রমকে আমরা সামাজিক ব্যবসা বলি।

যেখানে ব্যবসার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের উপকার হয়। এর মূল বিষয়টি হলো, এসব ব্যবসায় যিনি বিনিয়োগ করছেন তিনি কোনো মুনাফা নেবেন না। কাজেই আমি হচ্ছি এই সামাজিক ব্যবসার প্রবক্তা। বিশ্বব্যাপী এটি আমি প্রচার করার চেষ্টা করেছি। এসব কার্যক্রমের ভেতরে আমার ব্যক্তিগতভাবে মুনাফা করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। মানুষের উপকার করাটাই আমাদের লক্ষ্য। কোনোটাতেই ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হবো- এ রকম কোনো উদ্দেশ্য আমাদের মধ্যে ছিল না। সুতরাং যেটার উদ্দেশ্য লাভবান হওয়া না, সেটা আমি কার জন্য নেবো, কাকে দেবো? ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মালিকানা মুক্ত থেকেছেন দাবি করে ড. ইউনূস বলেন, আমার উদ্দেশ্য ছিল আমি মালিকানা মুক্ত থাকবো। সেজন্য কোনো কিছুতেই আমি মালিক হইনি। আমি সেটাই ফলো করে যাচ্ছি। যেখানে আমি নিজেই মালিকানা মুক্ত থাকতে চাই সেখানে আমি আরেকজনের কাছ থেকে কেড়ে আনবো কেন?

ইউনূস ছাড়াও এ মামলার অপর তিন আসামি হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান এবং দুই পরিচালক নূরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান। আদালতে তারাও নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

বেলা ১২টায় শ্রম আদালত প্রাঙ্গণে আসেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১২টা ২২ মিনিটে তৃতীয় শ্রম আদালতের এজলাসে আসেন। বেলা ১টা ১০ মিনিটে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শুরু হয়। বেলা ১টা ১২ মিনিটে এজলাসের কাঠগড়ায় দাঁড়ান ড. ইউনূসসহ মামলার চার আসামি। বেলা ১টা ১৭ মিনিট পর্যন্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূস সহ অন্যরা আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে ১টা ১৭ মিনিটে শারীরিক অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনায় আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক ৪ বিবাদীকেই কক্ষের ভেতরে বেঞ্চে বসে শুনানি কার্যক্রমে অংশ নেয়ার অনুমতি দেন। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্য আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত বক্তব্য পড়েন তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে তারা বসে পড়েন। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সহ অন্য আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।
এর আগে আদালতের বেঞ্চ অফিসার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সহ অন্যরা নিজেদেরকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। তারা বাদীর মামলা খারিজ করার জন্য আদালতে আবেদন করেন।

লিখিত বক্তব্যে ড. ইউনূসসহ অন্যরা যা বলেন:
লিখিত বক্তব্যে আসামিরা বলেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও অন্য ৩ জন বিবাদী পরিচালনা বোর্ড এর সদস্য হিসেবে নিয়োজিত আছেন। গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানি আইনে রেজিস্ট্রিকৃত ২৮ ধারায় সৃষ্ট একটি ‘নট ফর প্রফিট’ কোম্পানি। যার লভ্যাংশ বিতরণযোগ্য নয়। এই লভ্যাংশের অর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করা হয়। সে কারণে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠান এর কোনো মালিকানা বা শেয়ার হোল্ডার নেই। বিবাদীদের কেউই শেয়ার হোল্ডার নন। তাছাড়া বিবাদীরা শুধুমাত্র সম্মানজনক পদে থেকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সহায়তা করছেন। এটি ছাড়া কোম্পানি আইনের ২৮ ধারায় গঠিত গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মুনাফা প্রদান নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। গ্রামীণ টেলিকমের যেহেতু কোনো স্থায়ী কার্যক্রম নেই সেহেতু এর মূল কাজ হচ্ছে চুক্তির মাধ্যমে পল্লীফোন কার্যক্রম এবং নকিয়া মোবাইল হ্যান্ডসেটের বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান।

পল্লীফোন কার্যক্রমটি গ্রামীণফোনের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং প্রতি ৩ বছর অন্তর তা নবায়ন করা হয়। পল্লীফোন গ্রামীণ টেলিকমের একটি প্রকল্প যা গ্রামীণফোনের নির্দেশে চুক্তির ভিত্তিতে গ্রামীণ টেলিকমের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে। যার বিনিময়ে গ্রামীণ টেলিকম গ্রামীণফোন হতে ১০ শতাংশ রেভিনিউ শেয়ার পায় এবং এই চুক্তির মেয়াদ ৩ বছর পর বৃদ্ধি করে থাকে। অনুরূপভাবে ফিনল্যান্ডের নকিয়া মোবাইল কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ টেলিকম বাংলাদেশের সকল ক্রেতাদেরকে নকিয়া হ্যান্ডসেটের বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করে থাকে। যার বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় ৫ শতাংশ ডলার গ্রামীণ টেলিকম আয় করে থাকে। এই চুক্তির মেয়াদ ৩ বছর। ফলে চুক্তিটি প্রতি ৩ বছর পর পর নবায়ন করা হচ্ছে। এই উভয় চুক্তির আওতায় গ্রামীণ টেলিকম আইন অনুযায়ী এর (চুক্তিভিত্তিক চরিত্র) আওতায় নিয়োগ পাওয়া কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে থাকে। ফলে এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের আওতায় সকল শ্রমিক কর্মচারী-কর্মকর্তা স্থায়ী শ্রমিকের ন্যায় সকল সুযোগ-সুবিধা যেমন-পদোন্নতি, নিয়মিত হওয়া, পে-স্কেল, গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, অর্জিত ছুটি, মেডিকেল ভাতা পেয়ে থাকেন। তবে গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানি আইনের ২৮ ধারায় সৃষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান (নট ফর প্রফিট কোম্পানি) হওয়ায় কোম্পানি আইন অনুযায়ী লভ্যাংশ বিতরণযোগ্য নয়। সেজন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও নিট মুনাফার ৫ শতাংশ (ডচচঋ) প্রদান করার কোনো সুযোগ নেই।

উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত থেকে ২০ বছর ধরে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীরা চাকরিতে থাকাবস্থায় এবং রিটায়ারমেন্টে (অবসরে) যাবার পরও তারা কখনো মুনাফা (ডচচঋ) দাবি করেনি। কিন্তু অতি সামপ্রতিক সময়ে বিশেষ মহল যারা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সামাজিক ব্যবসার অগ্রগতি পছন্দ করে না তাদের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে মুনাফা (ডচচঋ)-এর সুবিধা আদায়ের জন্য গ্রামীণ টেলিকমের কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী ২০১৭ সালে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ সিভিল বিধানের অধীন ২১১ ধারায় ৩য় শ্রম আদালতে অনেকগুলো সিভিল বি.এল.এ (আই,আর) মামলা এবং সিবিএ কর্তৃক শিল্প বিরোধ মোকদ্দমা দায়ের করে। কিন্তু সরকারের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অযৌক্তিক ও আইনবহির্ভূত দাবি-দাওয়া থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরত রাখার পরিবর্তে ইচ্ছাকৃত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে গ্রামীণ টেলিকম সম্পর্কে ভুল ও মিথ্যা তথ্যের অবতারণা করে মুনাফা (ডচচঋ) সহ টেলিকমের অবৈতনিক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসহ চার জন পরিচালক বিবাদীর বিরুদ্ধে শ্রম আইনের ৩টি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করেন।

বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকসহ ৫০টির অধিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান ড. ইউনূস গড়ে তুলেছেন। কোনো কোম্পানিতে তার নিজস্ব কোনো শেয়ার নেই। সুতরাং কোনো লভ্যাংশ বা লাভের টাকা কারও পকেটে ঢোকে না। যখনই দেশের গরিবদের একটা সামাজিক সমস্যা দেখেছেন, সেটার মাধ্যমেই একটা বিজনেস মডেল বানিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষা সমস্যার জন্য বানিয়েছেন গ্রামীণ শিক্ষা, স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য বানিয়েছেন গ্রামীণ কল্যাণ। এমন ব্যবসার ধারণা বা মডেল তৈরির জন্য যথেষ্ট সময় দেন, কিন্তু মালিকানায় কখনো নিজেকে জড়াননি। দেশে-বিদেশে কোথাও নিজের নামে কোনো জায়গা জমি, গাড়ি-বাড়ি নেই তার। লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দেখান যিনি এতগুলো ইম্প্যাক্ট তৈরি করেছেন। এতগুলো বিদেশি ব্র্যান্ড কোম্পানিকে জয়েন্ট ভেঞ্চারে বাংলাদেশে এনেছেন। এত এত মানবসম্পদ তৈরি করেছেন।

কোম্পানি আইনসহ বিভিন্ন আইনের ব্যাখ্যাসহ এই মামলাটি কেন চলতে পারে না, তার ব্যাখ্যা দেয়া হয় বক্তব্যে। সেখানে মামলার আসামিদের অব্যাহতির প্রার্থনা জানানো হয়। সোয়া ঘণ্টার শুনানিতে এজলাসে কোনো কথা বলেননি ড. ইউনূস। পরে সেখান থেকে ৬ তলা সিঁড়ি দিয়ে বেরিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ ও এডভোকেট মিজানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী ও দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

‘নিঃস্বার্থ মানুষটিকে মিথ্যা অপরাধে দাঁড়াতে হচ্ছে বিচারের কাঠগড়ায়’: ৩৪২ ধারায় ড. ইউনূস সহ ৪ আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের জবানবন্দিতে বলা হয়, শ্রম আইনের ২৩৪ ধারার বিধান লঙ্ঘিত হলে ২৩৬ ধারায় সরকার অনেকগুলো প্রতিকারের বিধান রেখেছে। শ্রম আইনের ২৩৬ ধারার উপরোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ না করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বিবাদী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে পারে না। এটি সম্পূর্ণ আইনের লঙ্ঘন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এটি কোনোভাবেই ফৌজদারি অপরাধ না। দেশের উন্নয়নে ড. ইউনূসের ভূমিকা উল্লেখ করে বলা হয়, বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দেখান যিনি দেশের জন্য এত কাজ করেছেন। এতগুলো বিদেশি ব্র্যান্ড কোম্পানিকে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে এনেছেন। এত এত মানবসম্পদ তৈরি করেছেন। আর সবচেয়ে বড় কথা কোনো কিছুই তিনি নিজের কোনো আর্থিক লাভের জন্য করেননি। এ ধরনের অসংখ্য অবদান রাখার পরও এই নিঃস্বার্থ মানুষটিকে মিথ্যা অপরাধে দাঁড়াতে হচ্ছে বিচারের কাঠগড়ায়।

এর আগে গত ৬ই নভেম্বর এ মামলার বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন আদালত ৯ই নভেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ এ মামলার চারজন আসামির ফৌজদারি কার্যবিধি ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রাখার দিন ধার্য করেন।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102