করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আগামীকাল সারা দেশে শুরু হচ্ছে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন। সরকারের এই কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় গণপরিবহন, মার্কেটের পাশাপাশি বন্ধ থাকবে ব্যাংকিং কার্যক্রমও। তাই ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক পড়েছে সাধারণ মানুষের। সকাল থেকেই প্রতিটি ব্যাংকেই দেখা গেছে দীর্ঘলাইন। গ্রাহকের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যাংক কর্মকতারা। ব্যাংকের শাখাগুলোয় টাকা জমা কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধের তুলনায় উত্তোলন হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না তেমনভাবে।
রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা ঘুরে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) এমন অবস্থা দেখা যায়। সকাল থেকেই প্রতিটি ব্যাংকেই দেখা গেছে দীর্ঘলাইন। ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক পড়েছে সাধারণ মানুষের। গ্রাহকের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যাংক কর্মকতারা। ব্যাংকের শাখাগুলোয় টাকা জমা কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধের তুলনায় উত্তোলন হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি।
অনেক শাখাতেই অতিরিক্ত ভিড়ে উপেক্ষিত হচ্ছে শারীরিক দূরত্ব। তবে ব্যাংকের শাখায় প্রবেশের সময় থার্মাল থার্মোমিটার দিয়ে গ্রাহকের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হচ্ছে। ব্যাংকের শাখাগুলোয় টাকা জমা কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধের তুলনায় উত্তোলন হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। একই অবস্থা দেখা গেছে এটিএম বুথগুলোতেও।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে টাকা জমা দেয়ার চেয়ে উত্তোলনের চাপ বেশি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ঈদকেন্দ্রিক লেনদেনের সাথে তুলনা করছেন তারা।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে লকডাউনের আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন করা যাবে। আর লেনদেন পরবর্তী আনুষাঙ্গিক কাজের জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।