৩০ এপ্রিল শুক্রবার ছিলো ব্রঙ্কস বাংলাদেশ ওমেন এসোসিয়েশনের ভিন্নধর্মী এক ইফতার পার্টি। স্টার্লিং এভিনিউ’র বাফা স্টুডিওতে আয়েজিত এ ইফতার পার্টি পারিবারিক মিলন মেলায় রুপ নেয়।
ইফতার পার্টি বলতে যা বোঝায় এ সংগঠনটির ইফতার পার্টি ঠিক তেমনটি ছিলোনা। অনুষ্ঠানে কোন প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথি ছিলনা। ছিলোনা কোন বক্তৃতা বা আলোচনা সভা।
ইফতারের ঘন্টাখানেক আগেই ভেন্যুতে উপস্থিত হন ব্রঙ্কস বাংলাদেশ ওমেন এসোসিয়েশনের সদস্য এবং তাদের পরিবারের সবাই।

সবাই মিলে পরম মমতায় সাজান ইফতার প্লেট। কেউ ঢেলে দিলেন শরবত, কেউ এগিয়ে দিলে পানির বোতল। বড়রা তো বটেই সন্তানরাও যোগ দেন এ কাজে। শিশুদের হাতে কোন ফোন ছিলোনা। ছিলোনা ট্যাব। কোন গেম খেলাতে বা স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকতে দেখা গেলোনা তাদের কাউকেই। সবাই সমবয়সীদের সঙ্গে খোশগল্পে মত্ত। এ যেন এক প্রাণের মেলা। প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর ছিলো পুরো অনুষ্ঠানস্থল।
ইফতারির খানিক আগে ওমেন এসোসিয়েশন পরিবারের এক সদস্য স্রষ্টার কাছে নিজের, পরিবারের ও সমাজের সবার জন্য মাগফেরাত ও রহমত কামনা করে দোয়া করলেন।

ইফতারের আগেই সিদ্ধান্ত হলো আজান হলে শুধু খেজুর পানি মুখে দিয়ে মাগরিবের নামাজ পড়া হবে। তারপর খাওয়া দাওয়া। শিশুরা কিশোররা সেখানে বসে ছিলেন কিন্তু বড়দের সিদ্ধান্তে তাদের মধ্যে কোন দ্বিমত দেখা গেলো না।
আজান হলো। খেজুরও নয়, শুধু পানি মুখে দিয়ে রোজা ভাঙলো সবাই। তারপর একসাথে এক জামাতে নামাজ আদায় করা হলো। নিউইয়র্কেতো বটেই বাংলাদেশের জন্যও এ দৃশ্য প্রায় বিরল।
সবর, সমমর্মীতা ও মমতার অসাধারন সমন্বয় ঘটিয়ে ধর্ম পালনের এক অনন্য নজীর স্থাপন করে দেখালেন ব্রঙ্কস বাংলাদেশ ওমেন এসোসিয়েশনের সবাই।
নামাজ শেষে পরিবেশন করা হলো ইফতার ও রাতের খাবার। পরম আনন্দে তা এক সঙ্গে উপভোগ করলো অনুষ্ঠানে আগত সবাই।

ইফতারের আগেই সিদ্ধান্ত হলো আজান হলে শুধু খেজুর পানি মুখে দিয়ে মাগরিবের নামাজ পড়া হবে। তারপর খাওয়া দাওয়া। শিশুরা কিশোররা সেখানে বসে ছিলেন কিন্তু বড়দের সিদ্ধান্তে তাদের মধ্যে কোন দ্বিমত দেখা গেলো না।
আজান হলো। খেজুরও নয়, শুধু পানি মুখে দিয়ে রোজা ভাঙলো সবাই। তারপর একসাথে এক জামাতে নামাজ আদায় করা হলো। নিউইয়র্কেতো বটেই বাংলাদেশের জন্যও এ দৃশ্য প্রায় বিরল।
সবর, সমমর্মীতা ও মমতার অসাধারন সমন্বয় ঘটিয়ে ধর্ম পালনের এক অনন্য নজীর স্থাপন করে দেখালেন ব্রঙ্কস বাংলাদেশ ওমেন এসোসিয়েশনের সবাই।
নামাজ শেষে পরিবেশন করা হলো ইফতার ও রাতের খাবার। পরম আনন্দে তা এক সঙ্গে উপভোগ করলো অনুষ্ঠানে আগত সবাই।