কিন্তু স্ক্যালোনির একাদশে ঠাঁই করে নেন মার্তিনেজ, লো সেলসো ও রোমেরো। হঠাৎই মাঠে ঢুকে পড়েন স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধান এজেন্সির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। সঙ্গে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্য। রোমেরো, লো সেলসো, মার্তিনেজকে কোয়ারেন্টিনের নিয়ম ভাঙার দায়ে আটক করতে আসেন তারা। এ কথা শুনেই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। মাঠে হাতাহাতিও হয়েছে।
এমন ঘটনার পর রেফারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ড্রেসিংরুমে পাঠিয়ে দেন আজর্ন্টিনার ফুটবলারদের। বেশ কয়েক দফা হয়েছে আলোচনা। কিন্তু ম্যাচের ভাগ্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ স্থগিতের খবর দেয় আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা। সাও ব্রাজিলের করোনার নিয়ম অনুযায়ী দেশটিতে ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, নর্দান আয়ারল্যান্ড ও ভারত থেকে সরাসরি প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। তবে, বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে নিতে হবে অনুমতি। তা না হলে ব্রাজিলে ঢোকার পর ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন করতে হবে।
তবে অভিযুক্ত ফুটবলাররা সে নিয়ম মানেননি। তারা ইংল্যান্ড থেকে প্রথমে আর্জেন্টিনায়, পরে সেখান থেকে শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছেন। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলে যান তারা।