বড়দিনে বন্ধ ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবল। তবে ফুটবলারা কী বসে থাকতে পারে? মেসি-রোনালদো-নেইমাররা ছুটির মাঝেও চেষ্টা করে গেছেন ভক্তদের আনন্দ দিতে। ভক্তদের উপহার পাঠিয়ে আর তাদের সঙ্গে ভিডিও কলে যুক্ত হয়েও চমকে দিয়েছেন ফুটবলাররা।
মহামারির কবলে বিশ্ব স্তব্ধ, পাল্টে গেছে অনেক কিছু। তারপরও করোনা কি সবার আনন্দ কেড়ে নিতে পারে? বড়দিন উদযাপনে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের একদমই কার্পণ্য নেই। নেইমার, এমবাপ্পে, ভেরাত্তি, মার্কুইনহোসরা ক্রিসমাসের উৎসবে মেতে চেষ্টা করেছেন ভক্তদের আনন্দ নিতে।
য়্যুভেন্তাস সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বড়দিনে পাস্তা নিয়েই ব্যস্ত। সি আর সেভেনের টিমমেটরা তার সঙ্গে না থাকলেও রোরাতা, কিয়েজা, আর্থুররা ধরা পড়েছে আলাদা আলাদা ফ্রেমে।
আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি বড়দিনের ছুটি পেয়েই বৌ-বাচ্চা নিয়ে ছুটেছেন বুয়েন্স আইরেসে। আর মেসির ক্লাব বার্সেলোনা বড়দিনকে বেছে নিয়েছে ফ্যানস গ্রেটিং ডে হিসেবে। আনন্দ ভাভাভাগি করেছে ভক্তদের সঙ্গে।
লিভারপুল মিডফিল্ডার মিলনার আর লেফটব্যাক রবার্টসনের বড়দিন কেটেছে ক্রিসমাস ফার্মে। চেষ্টা করেছেন ছোট্ট ফ্যানদের একটু আনন্দ দিতে। আর তাদের টিমমেট মোহাম্মেদ সালাহও সকলকে জানিয়েছেন বড়দিনের শুভেচ্ছা।
ম্যানসিটি তারকারা এবারের বড়দিনে সধ্যমত চেষ্টা করে গেছেন ভক্তদের সঙ্গে থাকার। ফ্যানদের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে অনেককেই চমকে দিয়েছে সিটিজেনরা।
এদিকে, করোনার মাঝে যাতে ভক্তদের মনোবল যেন একটুও না কমে তাই বড়দিনে সেই বার্তাই পাঠিয়েছে ইন্টার মিলান তারকারা। লুকাকু, ভিদাল, লাউতারো মার্তিনেজরা ফ্যানদের আরো আরো আপন করে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ইন্টারের রাইভার এসি মিলানও বড়দিনের বিশেষ বার্তা দিয়েছে ভক্তদের। আর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখও শুভেচ্ছা জানিয়েছে ভক্তদের। তবে বায়ার্নের এবারের আয়োজন ছিলো একেবারেই সাদামাটা।
এছাড়া, ইংলিশ ক্লাব লেস্টার সিটি বড়দিন উপলক্ষ্যে ভক্তদের ট্রেইনিং গ্রাউন্ড ঘুরে দেখার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আর টটেনহ্যাম আয়োজন করেছে এক ভিন্নধর্মী খেলার, ফুটবলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ। মজার প্রশ্নে কে কতক্ষণ হাসি আটকে রাখতে পারে।