করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সমালোচনা সামাল দিতে মন্ত্রীসভায় বড় ধরনের রদবদল এনেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নিয়েছেন ৪৩ জন নতুন মন্ত্রী। এর মধ্যে নতুন মুখ ৩৬ জন। আর বাকিরা পদোন্নতি পেয়েছেন।
মোদি সরকারের নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন দেশটির সাবেক সড়ক ও জনপদ, শিপিং, কেমিকেল ও সার মন্ত্রী মানসুখ মান্দাভিয়া। গুজরাটের ৪৯ বছর বয়সী এই সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেও এখনও তার পূর্বের মন্ত্রণালয় ধরে রেখেছন।
ভারতে চলমান করোনাভাইরাস মোকাবিলায় অক্সিজেনের ব্যাপক ঘাটতির কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। করোনাভাইরাস মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পদত্যাগ করা হর্ষবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হলেন মান্দাভিয়া।
২০০২ সালে সর্বকনিষ্ঠ এমএলএ নির্বাচিত হন মান্দাভিয়া। ২০১৬ সালে তিনি নরেন্দ্র মোদি সরকারে প্রথম যোগদান করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ আবার আমার ওপর বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছেন। তাই তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
নতুন মন্ত্রী হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের চার সাংসদ। এরা হলেন- সুভাষ সরকার, নিশীথ প্রামাণিক, জন বার্লা ও শান্তনু ঠাকুর।
এছাড়া শপথ নেওয়া অন্য মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা হলেন, নারায়ণ রানে, সর্বানন্দ সোনোওয়াল, ডা. বীরেন্দ্র কুমার, জয়শ্রী দত্ত এম সিন্দিয়া, রামচন্দ্র প্রসাদ সিং, অশ্বিনী বিশ্বনাও, পশুপতি পরস, কিরেন রিজিজু, রাজকুমার সিং, হারদ্বীপ সিং পুরি, মানসুখ মান্দাভিয়া, ভুপেন্দ্র যাদব, পুরুষোত্তম রুপালা, জি. কিশান রেড্ডি, আওরং শিং ঠাকুর, পঙ্কজ চৌধুরী, অনুপ্রিয়া সিং প্যাটেল, ডা. সত্যপাল সিং বাগাল, রাজিব চন্দ্র শেখর, শুভ্রা কারান্দলাজি, ভানু প্রতাপ সিং ভর্মা, দর্শনা ভিকরম জার্ডোশ, মিনাক্ষী লিখি, অন্নপূর্ণা দেবি, এ. নারায়ণ স্বামী, কুশাল কিশোর, অজয় ভাট, বি. এল. ভার্মা, অজয় কুমার, চৌহান দেবুসিং, কাপিল মেরসাওয়ার পাতিল, প্রতিমা ভৌমিক, ডা. সুবাস সরকার, ডা. ভগবতী কিশোর কারাদ, ডা. রাজকুমার রঞ্জন সিং, ডা. ভারতি প্রবীণ পাবর, বিশ্বওয়ার টিডু, শান্তানু ঠাকুর, ডা. মুঞ্জাপারা মাহেন্দ্রভাই, ডা. এল. মুরুগান।