ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলাকে ‘সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। রবিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ এ তথ্য জানিয়েছে।
কেসিএনএর প্রতিবেদনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘এই ঘটনা আবারও স্পষ্টভাবে দেখাল—যুক্তরাষ্ট্র একটি উচ্ছৃঙ্খল ও নৃশংস রাষ্ট্র।’ এই বিবৃতি আসে এমন এক দিনে আসে, যখন উত্তর কোরিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান মিত্র চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করেন। উত্তর কোরিয়া বলেছে, ভেনেজুয়েলার বর্তমান পরিস্থিতি ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কাঠামোর পরিচয় নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিপর্যয়কর ফল’ ডেকে এনেছে।
এদিকে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার পর আরও কয়েকটি দেশকে একই পরিণতির হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই দেশগুলো হলো- মেক্সিকো, কলম্বিয়া এবং কিউবা। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার মতো পরিণতি হতে পারে এই তিন দেশেরও।
একইসঙ্গে ট্রাম্প এটাও বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন যে, মাদকপাচার এবং অনুপ্রবেশকারীর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনও আপসের পথে হাঁটবে না। মাদক সন্ত্রাসকে রুখতে প্রয়োজনে যা করতে হবে, তা করতে তিনি পিছপা হবেন না। মাদুরোকে গ্রেফতারের পর ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘‘মাদক সন্ত্রাস নিয়ে ভেনেজুয়েলাকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তায় কোনও কাজ হয়নি। ফলে মাদক সন্ত্রাসকে রুখতে এই দেশের বিরুদ্ধে বড় কিছু করার প্রয়োজন ছিল।” তারপরই মাদুরোর পরিস্থিতির কথা টেনে এই একই বিষয় নিয়ে আরও তিন দেশ— মেক্সিকো, কলম্বিয়া এবং কিউবাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘মাদক সন্ত্রাসকে রুখতে যদি ওই অঞ্চলে আমেরিকাকে পা রাখতে হয়, প্রয়োজনে সেটাও করতে প্রস্তুত। আর এর জন্য কারও চোখ রাঙানিও মেনে নেব না।” সূত্র: আল-আরাবিয়া, রয়টার্স