ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় মেসার্স ত্বহা ব্রিকস ফিল্ডে নানা অনিয়মের অজুহাত তুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমিত সাহা ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভাটার মালিক (পার্টনার) মো. শাহিন আকনের কাছ থেকে চার লাখ টাকা নিয়ে দুই লাখ টাকার রসিদ দিয়েছেন। গত সোমবার দুপুরে ০৫/২০২১ নম্বর মামলা, যার ক্রমিক নং ৪৮০৮২৩, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমিত সাহার স্বাক্ষরিত শাহিনকে একটি রসিদ প্রদান করেন। ভাটার মালিক মো. এনামুল হক জানান, ঘুষের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি সুমিত সাহার নাজির মাইনুল আমার পার্টনার শাহিনকে অফিসে এবং বাড়িতে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। শাহিন জানান, প্রথমে আমাদের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ৪ লাখ টাকা বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে উপজেলা ভূমি অফিসে পৌঁছে দিয়েছি। রসিদ দেওয়ার সময় দুই লাখ টাকার রসিদ দিয়েছেন।
চার লাখ টাকা দিয়ে দুই লাখ টাকার রসিদ দেওয়ার বিষয়টি সহকারী কমিশনার সুমিত সাহা ও তার অফিসের নাজির মো. মাইনুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তারা আমাকে ধমকিয়ে পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি ব্যাপক জানা-জানি হলে গতকাল টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বার বার আমাকে মোবাইল করছেন। ভাটার মালিক মো. এনামুল হক জানান, ব্যবসায়ী কাজে ঢাকা থাকায় পার্টনার মো. শাহিনের কাছে ৪ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি জেনে প্রতিবাদ করেছি। সহকারী কমিশনার সুমিত সাহা ৪ লাখ টাকা নেওয়ার কথাটি অস্বীকার করেন। তিনি জানান অন্য কেউ টাকা নিয়েছে কিনা আমার জানা নেই। আমি দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছি। তবে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক স্যার আমার কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুফল চন্দ্র গোলদার জানান, মেসার্স ত্বহা ব্রিকস ফিল্ডে একটি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সেখানে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর বাইরে অন্য কিছু আমার জানা নেই।