টিকাগুলো গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার মান্যবর রাষ্ট্রদূত মি. আর্ল আর মিলার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম দফায় ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং দ্বিতীয় দফায় ১০ লাখ ৩ হাজার ৮৬০ ডোজ ভ্যাকসন দেশে এসেছে। আগামীকাল আরও ২৫ লাখ ডোজ এলে এ নিয়ে ফাইজারের মোট ৩৬ লাখ ৪ হাজার ৪৮০ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছবে।
এর আগে অ্যাস্ট্রেজেনেকা, সিনোফার্মা, মডার্না ভ্যাকসিনসহ ক্রয়কৃত ও কোভ্যাক্স ফাসিলিটিজের আওতায় মোট ভ্যাকসিন দেশে এসেছে ৪ কোটি ৯৪ লাখ ২৯ হাজার ৯৪০ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ মোট ২ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৯৮ জনকে এবং এক কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭১ জনকে দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে (২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত)।
এ ছাড়া চীনের সিনোফার্মার ৬ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ক্রয়ের চুক্তি অনুযায়ী এ মাস থেকেই প্রতি মাসে ২ কোটি ডোজ করে ভ্যাকসিন দেশে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর পাশাপাশি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে আরও সাড়ে ১০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনসহ মোট ২৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ক্রয়ের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।