রাজধানীতে মশার উপদ্রব বাড়ছেই। কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বংশ বিস্তার। শত কোটি টাকা বরাদ্দেও মিলছেন না সুফল। জরিপ ও গবেষণার তথ্য বলছে, গেলো বছরের চেয়ে এ বছর ঢাকায় মশার পরিমাণ বেড়েছে চার গুণ। উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মতে, অসময়ের বৃষ্টির জলাবদ্ধতাই মশার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ। বিশেষজ্ঞদের মতে মশা নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
রাজধানীতে সন্ধ্যা নামে-মশাকে সঙ্গী করে। পথ ঘাট বাসা বাড়ি সবখানেই বাড়ে মশার অবাধ আনাগোনা। এর নির্বিচার কামড় টাকার জোর, বয়স-পেশা কোনো কিছুরই ধার ধারে না।
রাজধানীসহ সারা দেশে এই মহূর্তে যে মশা অতিষ্ঠ করে তুলেছে, তা কিউলেক্স প্রজাতির। সাধারণত নোংরা, পচা পানিতে বংশবিস্তার করে কিউলেক্স। সংখ্যা এতোটাই বেড়েছে যে সিটি করপোরেশনের কোটি টাকার প্রকল্পও খাবি খাচ্ছে সামাল দিতে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞানের শিক্ষক কবিরুল বাশার ও তার সহযোগীদের সাম্প্রতিক গবেষণ বলছে, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর মশা বেড়েছে চার গুণ বেশি। বিশেষ করে মশার লার্ভা পৌঁছেছে উদ্বেগজনক পর্যায়ে।
গেলো বছর ডিসেম্বরে কয়েকদিন বৃষ্টির দেখা মিলেছিলো রাজধানীতে। সিটি করপোরেশন বলছে, এই বৃষ্টিই- মশার অস্বাভাবিক বংশবিস্তারের কারণ।
মশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ড্রেন- ডোবা- নালা পরিস্কার রাখা জরুরী। কিন্তু ঢাকার বেশিরভাগ ড্রেন বদ্ধ থাকায় সেখান পর্যন্ত পৌঁছানো যায় না..তাই প্রতি বছর অসম্পূর্ণই থেকে যায় মশা নিধন কার্যক্রম।
তবে শুধু ওষুধ দিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; মনে করেন অধ্যাপক কবিরুল বাশার। তার মতে, জৈবিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রতিটি এলাকাকে ১০ টি ভাগে ভাগ করে মশা নিধন কার্যক্রম সাজাতে হবে।
মশা নিধনে চলতি অর্থবছর একশো বারো কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেদুই সিটি করপোরেশন।তে মশার উপদ্রব বাড়ছেই। কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বংশ বিস্তার। শত কোটি টাকা বরাদ্দেও মিলছেন না সুফল। জরিপ ও গবেষণার তথ্য বলছে, গেলো বছরের চেয়ে এ বছর ঢাকায় মশার পরিমাণ বেড়েছে চার গুণ। উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মতে, অসময়ের বৃষ্টির জলাবদ্ধতাই মশার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ। বিশেষজ্ঞদের মতে মশা নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
রাজধানীতে সন্ধ্যা নামে-মশাকে সঙ্গী করে। পথ ঘাট বাসা বাড়ি সবখানেই বাড়ে মশার অবাধ আনাগোনা। এর নির্বিচার কামড় টাকার জোর, বয়স-পেশা কোনো কিছুরই ধার ধারে না।
রাজধানীসহ সারা দেশে এই মহূর্তে যে মশা অতিষ্ঠ করে তুলেছে, তা কিউলেক্স প্রজাতির। সাধারণত নোংরা, পচা পানিতে বংশবিস্তার করে কিউলেক্স। সংখ্যা এতোটাই বেড়েছে যে সিটি করপোরেশনের কোটি টাকার প্রকল্পও খাবি খাচ্ছে সামাল দিতে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞানের শিক্ষক কবিরুল বাশার ও তার সহযোগীদের সাম্প্রতিক গবেষণ বলছে, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর মশা বেড়েছে চার গুণ বেশি। বিশেষ করে মশার লার্ভা পৌঁছেছে উদ্বেগজনক পর্যায়ে।
গেলো বছর ডিসেম্বরে কয়েকদিন বৃষ্টির দেখা মিলেছিলো রাজধানীতে। সিটি করপোরেশন বলছে, এই বৃষ্টিই- মশার অস্বাভাবিক বংশবিস্তারের কারণ।
মশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ড্রেন- ডোবা- নালা পরিস্কার রাখা জরুরী। কিন্তু ঢাকার বেশিরভাগ ড্রেন বদ্ধ থাকায় সেখান পর্যন্ত পৌঁছানো যায় না..তাই প্রতি বছর অসম্পূর্ণই থেকে যায় মশা নিধন কার্যক্রম।
তবে শুধু ওষুধ দিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; মনে করেন অধ্যাপক কবিরুল বাশার। তার মতে, জৈবিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রতিটি এলাকাকে ১০ টি ভাগে ভাগ করে মশা নিধন কার্যক্রম সাজাতে হবে।
মশা নিধনে চলতি অর্থবছর একশো বারো কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেদুই সিটি করপোরেশন।