আশিক ইসলাম, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কিছু দেশে ইতোমধ্যে হদিস মিলেছে মাঙ্কিপক্স রোগীর। ইউরোপের অন্তত এক ডজন দেশে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। মালয়েশিয়ায় এখন পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর না মিললেও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ মে) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী দাতুক ডা. নূর আজমি গাজালি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বেশ কয়েকটি দেশে মাঙ্কিপক্সের ঘটনা ধরা পড়া সত্ত্বেও সেসব দেশের সরকার এ মুহূর্তে দেশের প্রবেশপথ বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে না। তবে, আমাদের দেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সব ধরনের প্রবেশপথে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে।’ সেই সঙ্গে সব কটি বিমানবন্দরে এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (এমওএইচ) সব কর্মীকে অবহিত করেছি এবং সব দিক থেকে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করব। এ ছাড়া মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ ধরা পড়লে দেশের প্রবেশপথে প্রাথমিক আইসোলেশন ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।
এতে মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরসমূহে আক্রান্ত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ওপর সজাগ দৃষ্টি ও হেলথ স্ক্রিনিং জোরদার করতে বলা হয়েছে।’
মাঙ্কিপক্সের প্রাথমিক উপসর্গ হচ্ছে জ্বর, মাথাব্যথা, হাড়ের জোড়া ও মাংসপেশিতে ব্যথা ও অবসাদ। জ্বর শুরু হওয়ার পর দেহে গুটি দেখা দেয়। এসব গুটি শুরুতে দেখা দেয় মুখে। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে হাত-পায়ের পাতাসহ দেহের অন্যান্য জায়গায়। গুটির জন্য দেহে খুব চুলকানি হয়। পরে গুটি থেকে ক্ষত দেখা দেয়। জলবসন্তের মতোই রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেও দেহে সেই ক্ষতচিহ্ন রয়ে যায়।