সময় পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তন হয়েছে মানুষের মানসিকতাও। কিন্তু যে সময়ে পরিচালক অনুরাগ বসু ‘মার্ডার’ ছবি বানিয়েছিলেন, তখনও দর্শক ঘনিষ্ঠ কোনো দৃশ্যেও ততটা অভ্যস্ত ছিলেন না। আর তাই সে সময় মল্লিকা শেরাওয়াতকে ‘পতিতা নারী’ তকমাও দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এই কথা জানালেন অভিনেত্রী।
২০০৩ সালে ‘খোয়াইশ’ ছবিতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তার পরের বছর অনুরাগ বসুর ‘মার্ডার’ এ অভিনয় করার পর থেকেই আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন তিনি। তার অন্যতম কারণ, ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। একবিংশ শতাব্দীর শুরুর থেকে যে ধরনের দৃশ্যে মানুষ অভ্যস্ত নন, সে দৃশ্যই দেখিয়েছিলেন পরিচালক।
কিন্তু সে সময়ের কথা উঠলেই মল্লিকার মনে পড়ে, তাকে নৈতিকতার দোহাইয়ে মানসিকভাবে হত্যা করা হয়েছিল তখন। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী জানালেন, সেই দৃশ্যগুলোতে অভিনয় করে সমাজের চোখে তিনি ‘পতিতা নারী’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। অথচ এখন সেই দৃশ্যগুলো খুবই স্বাভাবিক সকলের কাছে।
মল্লিকা বললেন, ‘আমার এখনও মনে হয়, ১৯৫০ বা ৬০ এর দশকের নায়িকারা অনেক ভালো সুযোগ পেয়েছেন। যা চরিত্র পেতেন, তাতে অভিনয় করার জায়গা ছিল। কিন্তু এখন সেটা হয় না।’ আর তাই তিনিও এত বছর অপেক্ষা করেছেন ভালো কাজ পাওয়ার জন্য। সে রকম উপযুক্ত সুযোগ না এলে কাজ করতে রাজি হননি।
ওটিটির হাত ধরে পর্দায় ফিরছেন বলিউডের বহু অভিনেত্রী ও অভিনেতা। তাদেরই একজন মল্লিকা শেরাওয়াত। অভিনেতা ও পরিচালক রজত কপূরের সাম্প্রতিকতম ছবিতে অভিনয় করেছেন মল্লিকা। কেবল কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পেয়েছে সে ছবি।