ads
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের বৈধ করার নামে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৬

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০২২
  • ৪২ বার পঠিত

আশিক ইসলাম, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশটিতে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতার আওতায় আনতে ‘রিক্যালিব্রেশন’ নামে একটি কর্মসূচির ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার। আর এ সুযোগকে পুঁজি করে মালয়েশিয়ায় অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ করার নামে একটি আউটসোর্সিং সিন্ডিকেট পরিচালনা করার অভিযোগে দুই বাংলাদেশি এবং তাদের মালয়েশিয়ান স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

শুক্রবার (১০ জুন) দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরি খাইরুল জাইমি দাউদ এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি জানান, গত বুধবার কুয়ালালামপুরের জালান লুমুত এবং সেলাঙ্গরের আমপাংয়ের পান্ডান কাহায়ায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে চারজন ও পরে আরও দুই বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। গত কয়েক মাস ধরে প্রতারকদের ধরতে গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান চালিয়ে আসছিল।

তিনি আরও জানান, সিন্ডিকেটটি একটি ভুয়া শ্রম সংস্থার পেছনে থেকে গত দুই বছর ধরে কাজ করেছিল, যা এটি অপারেশনের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিল। অভিযানে বাংলাদেশি ৪৫৭, ইন্দোনেশিয়ান ৮, ভারতের ৮, পাকিস্তানের ৮, মিয়ানমারের ৬ ও নেপালের একটিসহ বিভিন্ন দেশের ৪৮৮টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।
এছাড়াও নগদ ৩৮ হাজার ৩০৮টি টাকা, দুটি কম্পিউটার ও ১২টি স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়, যা রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামের কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিন্ডিকেটটি প্রতিটি অভিবাসী শ্রমিককে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন সেক্টরের জন্য একটি অস্থায়ী ওয়ার্কিং ভিজিট পাস (পিএলকেএস) পাওয়ার জন্য অর্থ আদায় করতেন। এ সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড ৩৬ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশি ছিলেন বলেও তিনি জানান। এসব কার্যক্রমে আরও কতজন জড়িত তা নির্ধারণের জন্য কর্তৃপক্ষ আরও তদন্ত করছে।
অভিবাসন বিভাগের তদন্তে জানানো হয়, ২০১৫ সালে মালয়েশিয়ার নারীকে বিয়ে করার পরে তারা স্থায়ী বাসিন্দা হন।

তিনি আরও জানান, অভিবাসন বিভাগের ডাটাবেস পরীক্ষা করার পর যদি এই ৪৮৮ জন পাসপোর্টধারীর মধ্যে কেউ ইতিমধ্যে তাদের পিএলকেএস পেয়ে থাকলে তাহলে তা বাতিল করা হবে।
এসময় মহাপরিচালক বলেন, আমরা জনগণকে বিশেষ করে নিয়োগকর্তা এবং বিদেশি কর্মীদের পরামর্শ দিতে চাই। তারা যেন কেবল অভিবাসন বিভাগের সঙ্গে সরাসরি যোগযোগ করে এবং কোনও তৃতীয় পক্ষের সহযোগিতা না নেয়ারও অনুরোধ করেন।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বর্তমানে পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন বিভাগে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং জালিয়াতির অভিযোগে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102