আন্তঃদেশীয় মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনের হুইসেল বাজতে যাচ্ছে আগামী ১ জুন। ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ২৩ মে। ২৭ মে চিলাহাটি ও নিউ জলপাইগুড়ির টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। পাসপোর্ট-ভিসা দেখিয়ে টিকিট সরবরাহ করছে রেল কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক অসিম কুমার তালুকদার জানান, আগামী ১ জুন থেকে মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করবে। এদিন ৪০৯ জন যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে নীলফামারীর চিলাহাটি হয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত যাবে। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে সপ্তাহে দুই দিন (রবি ও বুধবার) এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত সোম ও বৃহস্পতিবার চলাচল করবে। জলপাইগুড়ি থেকে ছাড়বে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে এবং ঢাকায় এসে পৌঁছাবে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে। আবার ঢাকা থেকে ছাড়বে ৯টা ৫০ মিনিটে এবং পরদিন সকাল ৭টা ৫ মিনিটে ভারতে পৌঁছাবে।
মিতালীতে রংপুর বিভাগের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের জন্য দুটি কোচ বরাদ্দ রয়েছে। এই ট্রেনে ভ্রমণকারী যাত্রীদের অবশ্যই করোনা টিকা গ্রহণের সনদ থাকতে হবে এবং ভ্রমণকারী যাত্রীদের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে এসি বার্থ ৪ হাজার ৯০৫ টাকা, এসি সিট ৩ হাজার ৮০৫ টাকা, এসি চেয়ার ২ হাজার ৭৫ টাকা।
পাঁচ বছর পর্যন্ত অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫০ শতাংশ ছাড় দিয়ে ট্রেনে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। চিলাহাটি স্টেশন থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ভাড়া নিধারণ করা হয়েছে এক হাজার ২৫০ টাকা। ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের উদ্দেশ্যে যাত্রাপথে চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশনে ৩০ মিনিট যাত্রা বিরতি (অবস্থান) করবে।
গত ২৭ মার্চ মিতালী এক্সপ্রেসটি চলাচলের ভার্চুয়ালি উদ্ধোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রী নুরল ইসলাম সুজন ও ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ট্রেনটি উদ্ধোধন করা হলেও করোনা প্রাদুর্ভাবে বন্ধ থাকে। এই রেলপথের দূরত্ব ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ৫৯৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে ভারতের অংশে ৬৯ কিলোমিটার রয়েছে।