দিনাজপুর; মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মাথার চুল কেটে এবং মুখে কালি লাগিয়ে এক কিশোরীকে নির্যাতনের ঘটনায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জে দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার এ ঘটনা ঘটে।
এদিন কিশোরীর মা বাদী হয়ে বীরগঞ্জ থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে উপজেলার সুজালপুর গ্রামের বড় শীতলাই গ্রামের মো. হাবিরের স্ত্রী মোছা. কুলসুম বেগম (৩৫) এবং একই এলাকার মো. মফিজুল ইসলাম মফিজের স্ত্রী মোছা. দেলজান বেগমকে (২৬) গ্রেফতার করে। তবে মামলার প্রধান আসামিসহ অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, মামলার প্রধান আসামি মৃত মাহাবুর রহমানের মেয়ে মোছা. শারমিন মাহাবুবের বাসায় বাদীর কিশোরী মেয়ে (১৫) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল। কাজ করার একপর্যায়ে চরিত্র হনন করে মিথ্যা দোষারোপ করে গালমন্দ শুরু করলে কিশোরীটি বাবার বাড়িতে অবস্থান গ্রহণ করে। পরে একই বিষয় নিয়ে অন্যান্য আসামি কিশোরীটিকে দোষারোপ করে গালমন্দ করে। এ বিষয়ে কিশোরীর বাবা ও মা প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে শক্রতার সৃষ্টি হয়।
এর জের ধরে গত ২ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টায় আসামিরা কিশোরীটির বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে এবং মাথার চুল কেটে দিয়ে মুখে কালি মেখে দিয়ে নির্যাতন করে। পরে আসামিরা পরিবারের লোকজনকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি দিয়ে চলে যায়।
থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার জানান, পুলিশ বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।