মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বেলা ৩টার দিকে সাবিনা ইয়াছমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাবিনার ভাই মো. মামুন জানান, সাবিনার স্বামী রফিকুল ইসলাম ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাষানটেক বিআরপি কলোনিতে থাকে। বড় মেয়ে হুমায়রা ইয়াছমিন ওহি বাংলাদেশ নেভী স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। হুমায়রার স্কুলে পরীক্ষা থাকায় দুপরে ছোট মেয়ে রাহিয়া ইয়াছমিন রাহিকে সঙ্গে নিয়ে তিনজন রিকশা যোগে স্কুলে যাচ্ছিলেন। পথে নেভী মার্কেটের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে ট্রাস্ট পরিবহনের একটি বাস রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ছিটকে পড়ে আহত হয় তারা। পরে পথচারীরা তাদের প্রথমে স্থানীয় মার্কস হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে সাবিনাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুরে সাবিনাসহ তার দুই মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সাবিনার মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আর দুই মেয়েকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।