ভোলার মনপুরায় মোবাইলে সম্পর্কের পর প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় সামছুদ্দিন সুজন (১৮) এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় সোমবার সকালে ওই কিশোরীর মা থানায় মামলা করেন।
পুলিশ গ্রেফতারকৃত কিশোরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। এছাড়াও ধর্ষিতা ওই কিশোরীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভোলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মামুন।
সামছুদ্দিন সুজন উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের ছিদ্দিক মাঝির ছেলে।
মামলার সূত্রে ও ধর্ষিতা ওই কিশোরী জানায়, গত ৫ মাস আগে সামছুদ্দিন সুজনের সঙ্গে মোবাইলে সম্পর্ক হয়। গত ১ মাস পূর্বে দক্ষিণ সাকুচিয়া বোনের বাড়িতে বেড়াতে যাই। ৫ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় আমার দুলাভাই ও বোন পাশের বাড়িতে দাওয়াতে গেলে সুজন বাসায় ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে সে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে জোর করে ধর্ষণ করে।
একপর্যায়ে ডাক-চিৎকার দিলে সুজন পালিয়ে যায়। পরে পাশের বাড়ি থেকে বোন ও দুলাভাই এসে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পেয়ে জানতে চান। ওই কিশোরী তাদের ঘটনাটি জানায়। পরে সোমবার কিশোরীর মা থানায় মামলা করেন।
মনপুরা থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত সুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।