ads
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে স্কুলছাত্রকে খুন করে তার বন্ধু

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২
  • ২৭ বার পঠিত

দামি মোবাইল ফোনই কাল হয় স্কুল ছাত্র নওফেল শেখের (১৪)। জন্মদিনে তাকে নিয়ে আনন্দ-ফুর্তি করার প্রলোভন দিয়ে ডেকে নেয় তারই বন্ধু নবির হোসেন (১৬)। এরপর গলায় মাফলার পেঁচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে নওফেলকে হত্যা করে তার মোবাইল ফোন সেট নিয়ে নেয় নবির। পরে সেই ফোন বিক্রির টাকায় বান্ধবীকে নিয়ে হোটেলে গিয়ে ফুর্তি করে সে। বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার দাড়িগাছা গ্রামের ইসরাইল শেখের ছেলে নওফেলকে গত ১৮ জুন খুন করা হয়।

নওফেল দাড়িগাছা ইসলামী উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকা থেকে নবির হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নবির দাড়িগাছা গ্রামের মুকুল হোসেনের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ চক্রবর্তী তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, নবির হোসেন লেখাপড়া না করলেও নওফেল শেখ ছিল তার ঘনিষ্ট বন্ধু। তারা দাড়িগাছা গ্রামের বিভিন্ন জঙ্গলে গিয়ে মাঝেমধ্যেই ধুমপান করতো। দুই মাস আগে জমি বিক্রি করে ১৮ হাজার টাকায় একমাত্র ছেলে নওফেলকে স্মার্ট ফোন কিনে দেন তার বাবা। এরপর থেকেই বন্ধু নওফেলের মোবাইল ফোনটি হাতিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করতে থাকে নবির হোসেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১৮ জুন নওফেলের জন্মদিন থাকায় বেলা ১১টার দিকে নওফেলকে ধুমপান করার কথা বলে কৌশলে জঙ্গলে নিয়ে যায়। নবিব আগে থেকেই নওফেলকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি মাফলার সঙ্গে রেখেছিলো। জঙ্গলের একটি গাছের সঙ্গে হেলান দিয়ে ধুমপান করার সময় নওফেলের গলায় সেই মাফলার পেঁচিয়ে গাছের সঙ্গে ফাঁস দেয়। এতে নওফেল নিস্তেজ হয়ে পড়লে নবির পাশের জমি থেকে একটি বাঁশের লাঠি এনে নওফেলের মাথা আঘাতে করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
এরপর মরদেহ টেনে গভীর জঙ্গলে ফেলে দিয়ে মোবাইল ফোন সেটটি নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। সেই মোবাইল ফোনটি বগুড়া শহরে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে বগুড়ার শেরপুর থেকে তার এক বান্ধবীকে শহরে ডেকে নেয়। দুইজন একত্রিত হয়ে নিজেদের ভাই বোন পরিচয় দিয়ে তারা শহরের সাতমাথায় একটি দোকানে ৫ হাজার টাকায় মোবাইল ফোনটি বিক্রি করে। সেখান থেকে তারা দুইজন বগুড়া শহরের গালা পট্টির একটি আবাসিক হোটেলে গিয়ে একটি রুম ভাড়া করে। সেখানে বান্ধবীর সঙ্গে ফুর্তি করে তাকে দেড় হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করে।

হত্যাকান্ডের দুদিন পর ২০ জুন বিকেলে জঙ্গল থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয় লোকজন গিয়ে নওফেলের মরদেহ শনাক্ত করে। এরপর পর থেকেই পলাতক ছিলো নবির।
পুলিশ সুপার বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয়। পুলিশের টিম প্রথমে সাতমাথা থেকে নওফেলের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে। এরপর ফোনের সূত্র ধরে আটক করা হয় নবিরের কথিত বান্ধবীকে। পরে পুলিশের একটি দল নবির হোসেনের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে টঙ্গী থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে জঙ্গল থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মাফলারটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, কাগজপত্র না দেখে কম দামে মোবাইল ফোন কেনা ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক নবির হোসেনকে তার বান্ধবীসহ হোটেলে রুম ভাড়া দেওয়ায় হোটেল টুইন ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102