উদ্বোধনী জুটিতে ৪৪ রান করে যুক্তরাষ্ট্র। সপ্তম ওভারে বল করতে এসে দুই বলে দুই উইকেট শিকার করে সেই জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। এরপর তৃতীয় উইকেটে আবার জুটি করেন স্বাগতিক দলের দুই ব্যাটার মোনাঙ্ক প্যাটেল ও অ্যারন জোনস।
দেখেশুনে খেলে ৫৬ বলে ৬০ রানের জুটি করেন প্যাটেল ও জোনস। অবশেষে তাদের সেই জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি এই পেসারকে লংঅনে উড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন জোনস। বাউন্ডারি লাইন থেকে দ্রুত গতিতে দৌড়ে এসে তাকে সহজ ক্যাচ বানান মাহমুদউল্লাহ।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রয়েসয়ে খেলে যুক্তরাষ্ট্র। কঠিন বল পেলে খেলেছে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে, আর খারাপ বল পেলেই হাঁকিয়েছে বাউন্ডারি কিংবা ছক্কা। মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব ও শরিফুল ইসলামকে এভাবেই খেলেছেন দুই ওপেনার স্টেভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল।
দুই ওপেনার ৬ ওভারে ৪২ রান তুলেন। তখন উইকেট শিকারের প্রবল তৃষ্ণায় বাংলাদেশের বোলাররা।
সপ্তম ওভারে রিশাদ হোসেনকে বোলিংয়ে আনেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এসেই দুই উইকেট শিকার করে নেন এই লেগস্পিনার। ফেরান ওপেনার টেইলর ও তিনে নামা এন্ডিয়েস গাউসকে।
ওভারের চতুর্থ বলে রিশাদকে লংঅন অঞ্চলে উড়িয়ে মারেন টেইলর। সেখানে ফিল্ডিং করছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। সুযোগ মিস করলেন না তিনি। টেইলরের সহজ ক্যাচটি মুষ্ঠিবদ্ধ করেন তিনি।
পরের বল গুডলেন্থের করেন রিশাদ। নতুন ব্যাটার গাউস কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাইরের দিকে বেরিয়ে যাওয়া বলটি ব্যাটে স্পর্শ করিয়ে দেন। সহজ ক্যাচ নেন উইকেটরক্ষক জাকের আলি।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সংগ্রহ ১৬ ওভারের খেলা শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান। মোনাঙ্ক প্যাটেল ৩৫ রানে আর কোরি অ্যান্ডারসন ৮ রানে অপরাজিত আছেন।