মৌলভীবাজারে যৌতুকের টাকা দিতে না চাওয়ায় গরম পানি দিয়ে গৃহবধূর পিঠ ঝলসে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।
রোববার সকালে সদর উপজেলার আবদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে গৃহবধূ অনামিকা দেবী তার স্বামী সঞ্জিদ কান্তি নাথের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। অনামিকা সদর উপজেলার মাসকান্দি গ্রামের অবিনাশ দেবের মেয়ে।
অবিনাশ দেব জানান, ২০১৫ সালে সঞ্জিদ ও অনামিকার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর অনামিকা তার বাবার বাড়ি থেকে পাওয়া গহনা বিক্রি করে স্বামীকে একটি অটোরিকশা কিনে দেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় টাকার জন্য অনামিকাকে নানা রকম নির্যাতন করতেন সঞ্জিদ।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনামিকা জানান, সঞ্জিদ রোববার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে বাড়িতে নতুন একটি ঘর বানানোর জন্য টাকা দাবি করে। অনামিকা দিতে রাজি না হওয়ায় শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এক পর্যায়ে সঞ্জিদ চুলা থেকে গরম পানির কেটলি নিয়ে অনামিকার শরীরে ঢেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে।
মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার আহমেদ ফয়সাল জামান বলেন, ‘রোগীকে সিলেট মেডিক্যালে রেফার্ড করা হয়েছে। তার শরীরের ১০% পুড়ে গেছে।’
মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক জানান, এ ঘটনায় অনামিকা থানায় অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর থেকে সঞ্জিদ পলাতক আছেন। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।