ঘুষের টাকা নেওয়ার সময় রংপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শহিদুল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হোসাইন শরীফের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
হোসাইন শরীফ জানান, রংপুর নগরীর পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু শামীমসহ আট শিক্ষক দুদকে অভিযোগ করে বলেন, শহিদুল ইসলাম তাদের বেতন বৃদ্ধির আশ্বাসে এক লাখ টাকা দাবি করেছেন। টাকা না দেওয়ায় তাদের মাসের পর মাস ধরে ঘোরাতে থাকেন তিনি। তাদের পক্ষে এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে আকুতি জানান। শেষ পর্যন্ত জনপ্রতি দুই হাজার টাকা করে আট শিক্ষকের কাছে ১৬ হাজার টাকা দিলে কাজ করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন শহিদুল।
বিষয়টি রংপুর দুদুক কার্যালয়ে লিখিতভাবে জানান আট শিক্ষক। সে অনুযায়ী বেলা ১১টা থেকে দুদুকের একটি টিম সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামে অবস্থান নেয়। অফিস সহকারীর কথা অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষক আবু শামীমসহ আট শিক্ষক ১৬ হাজার টাকা নিয়ে শহিদুলের কক্ষে যান। তাকে টাকা দিলে তিনি গুনে নিয়ে ড্রয়ারে রাখা মাত্রই দুদকের টিমের সদস্যরা হাতেনাতে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক।
রংপুর পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু শামীম, নগরীর মধ্যপানবাড়িগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসির হোসেন ও গুলাল বুদাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শফিকুল ইসলাম অফিস সহকারী শহিদুল ইসলামের কঠিন শাস্তি দাবি করেছেন।