করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম চালান এসে পৌঁছেছে রংপুরসহ বিভাগের আট জেলায়। মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার ভ্যাকসিন এলো প্রথম চালানে। এর মধ্যে রংপুর জেলার জন্য এসেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ভ্যাকসিন।
রোববার ভোর ৬টায় বেক্সিকমো ফার্মার একটি ফ্রিজার ভ্যানে (ঢাকা মেট্রো-শ-১৩-১০৭৮) করে রংপুর পৌঁছায় বহুল আকাংখিত এই ভ্যাকসিন। রংপুর সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার রায়ের নেতৃত্বে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাক্তার কানিজ সাবিহা, মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার সিটিএসবি শরীফ আল রাজিব, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন, ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম, ইপিআই সেন্টারের সুপারেনটেনডেন্ট ও কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান আলাউদ্দিন আল আজাদসহ ভ্যাকসিন গ্রহণ ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্যরা বেক্সিমকোর কর্তৃপক্ষকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাপমাত্রা পরিমাপ করে ১৭টি কার্টনে ২ লাখ ৪০ হাজার পিচ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। পরে ওই গুলো রাখা হয় সিভিল সার্জন অফিসের ইপিআই সেন্টারে।
অন্যদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: আহাদ আলী জানিয়েছেন একই সাথে বেক্সিমকোর দুটি গাড়িতে রংপুর বিভাগের দিনাজপুরে আটটি, গাইবান্ধায় ছয়টি, কুড়িগ্রামে ও নীলফামারীতে পাঁচটি করে, ঠাকুরগাঁওয়ে চারটি, লালমনিরহাটে তিনটি ও পঞ্চগড়ে দুটি কার্টন সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিটি কার্টনে ১ হাজার ২০০টি করে ভায়াল রয়েছে। প্রতিটি ভায়ালে আছে ১০টি করে ভ্যাকসিন।
বিভাগের আট জেলায় মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হলো। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বিভাগের আট জেলায় ৬৪টি বুথে ৪৪৮ জন কর্মীর মাধ্যমে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু হবে। যার মধ্যে রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য মেডিক্যালের নতুন নার্সিং হোস্টেলে ৬টি এবং ৭ উপজেলায় ৭টি বুথ করা হয়েছে। সুরক্ষা এ্যাপসের মাধ্যমে প্রথমে স্বাস্থ্য কর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, আইনশৃংখলা বাহিনী ও ষাটোর্ধ ব্যাক্তিরা এই ভ্যাকসিন পাবেন। সোমবার থেকে শুরু হবে ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রমের সাথে জড়িতদের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ।