রাংগামাটি প্রতিনিধি ( মোঃ তারিকুল ইসলাম): আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গেছে ফায়ার সার্ভিসে কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন। পাশাপাশি স্থানীয় জেলেরাও নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু তখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
বাঘাইছড়ির শীজকছড়া থেকে রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে রিমেল চাকমার স্পিড বোটটি ৮ জন যাত্রী নিয়ে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে রওনা করে। স্পিড বোডটি কাট্টলী বিলের গাছ টিলা এলাকায় পৌঁছালে উল্টো দিক থেকে আসা বালুবাহী বোটের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে স্পিড বোটটি উল্টে যায়। ফলে চালকসহ স্পিড বোটে থাকা ৯ জনই পানিতে ছিটকে পড়েন।
এ সময় চালকসহ ৭ জন আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন এবং হ্রদের পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন বাকি ২ জন।
নিখোঁজ ২ জন হলেন, লিটন চাকমা (২০), পিতা মুক্ত লাল চাকমা, গ্রাম ক্যাংড়াছড়ি, বাঘাইছড়ি এবং এলিনা চাকমা (২০), পিতা সুরুত চাকমা, গ্রাম হাজাছড়া সুবলং বরকল। তারা দু’জনই শীজক উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
যেখানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে লেক এতটা অপ্রশস্ত ছিল না যে, সড়ক দুর্ঘটনার মতো এখানে উল্টো দিক থেকে আসা দুটি যানের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটতে পারে। কিন্তু তারপরেও কেন এই সংঘর্ষ ঘটল?
ঘটনাস্থল থেকে একজন জানালেন, তিনি জানতে পেরেছেন, স্পিড বোটের চালক রিমেল চাকমার চোখে পোকা ঢুকেছিল। ফলে সে ঠিক মতো সামনের দিকে খেয়াল করে স্পিড বোট চালাতে পারেনি।
বরং চোখের যন্ত্রণায় সে কিছুটা ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ায় বালুবাহী বোটের সাথে তার স্পিড বোটের ধাক্কা লেগে যায়!
পানিতে দ্রুত গতির স্পিড বোট চালাতে গেলে খোলা চোখে পোকা বা কোনো আবর্জনার কণা হঠাৎ এসে পড়তেই পারে এবং তাতে দুর্ঘটনা ঘটাও স্বাভাবিক। তাই এই অবস্থা থেকে স্পিড বোট এবং যাত্রীদের রক্ষায় কিছু নিয়ম-কানুন নিশ্চয় থাকার কথা।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় একজন সাংবাদিক জানালেন, নিয়ম আছে। স্পিড বোট চালাতে হলে চালকদের গায়ে লাইফ জ্যাকেট এবং মাথায় হেলমেট পরাসহ বেশকিছু নিয়ম-কানুন মানার বাধ্যবাদকতা আছে।
কিন্তু কাপ্তাই লেকে যারা স্পিড বোট চালায় তাদের কেউ এসব নিয়মের তোয়াক্কা করেন না। আর এসব নিয়ম-কানুন মানা হচ্ছে কিনা, সে বিষয়টি যাদের দেখার কথা, তারাও যেন নির্বিকার।
রিমেল চাকমাও হেলমেট পরে স্পিড বোট চালাননি। ফলে তার খোলা চোখে পোকা ঢুকে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আর তাতে যাত্রীদের মূল্যবান জীবন হুমকিতে পড়েছে।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গেছে ফায়ার সার্ভিসে কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন। পাশাপাশি স্থানীয় জেলেরাও নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু তখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
বাঘাইছড়ির শীজকছড়া থেকে রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে রিমেল চাকমার স্পিড বোটটি ৮ জন যাত্রী নিয়ে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে রওনা করে। স্পিড বোডটি কাট্টলী বিলের গাছ টিলা এলাকায় পৌঁছালে উল্টো দিক থেকে আসা বালুবাহী বোটের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে স্পিড বোটটি উল্টে যায়। ফলে চালকসহ স্পিড বোটে থাকা ৯ জনই পানিতে ছিটকে পড়েন।
এ সময় চালকসহ ৭ জন আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন এবং হ্রদের পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন বাকি ২ জন।
নিখোঁজ ২ জন হলেন, লিটন চাকমা (২০), পিতা মুক্ত লাল চাকমা, গ্রাম ক্যাংড়াছড়ি, বাঘাইছড়ি এবং এলিনা চাকমা (২০), পিতা সুরুত চাকমা, গ্রাম হাজাছড়া সুবলং বরকল। তারা দু’জনই শীজক উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
যেখানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে লেক এতটা অপ্রশস্ত ছিল না যে, সড়ক দুর্ঘটনার মতো এখানে উল্টো দিক থেকে আসা দুটি যানের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটতে পারে। কিন্তু তারপরেও কেন এই সংঘর্ষ ঘটল?
ঘটনাস্থল থেকে একজন জানালেন, তিনি জানতে পেরেছেন, স্পিড বোটের চালক রিমেল চাকমার চোখে পোকা ঢুকেছিল। ফলে সে ঠিক মতো সামনের দিকে খেয়াল করে স্পিড বোট চালাতে পারেনি।
বরং চোখের যন্ত্রণায় সে কিছুটা ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ায় বালুবাহী বোটের সাথে তার স্পিড বোটের ধাক্কা লেগে যায়!
পানিতে দ্রুত গতির স্পিড বোট চালাতে গেলে খোলা চোখে পোকা বা কোনো আবর্জনার কণা হঠাৎ এসে পড়তেই পারে এবং তাতে দুর্ঘটনা ঘটাও স্বাভাবিক। তাই এই অবস্থা থেকে স্পিড বোট এবং যাত্রীদের রক্ষায় কিছু নিয়ম-কানুন নিশ্চয় থাকার কথা।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় একজন সাংবাদিক জানালেন, নিয়ম আছে। স্পিড বোট চালাতে হলে চালকদের গায়ে লাইফ জ্যাকেট এবং মাথায় হেলমেট পরাসহ বেশকিছু নিয়ম-কানুন মানার বাধ্যবাদকতা আছে।
কিন্তু কাপ্তাই লেকে যারা স্পিড বোট চালায় তাদের কেউ এসব নিয়মের তোয়াক্কা করেন না। আর এসব নিয়ম-কানুন মানা হচ্ছে কিনা, সে বিষয়টি যাদের দেখার কথা, তারাও যেন নির্বিকার।
রিমেল চাকমাও হেলমেট পরে স্পিড বোট চালাননি। ফলে তার খোলা চোখে পোকা ঢুকে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আর তাতে যাত্রীদের মূল্যবান জীবন হুমকিতে পড়েছে।