রাজশাহীতে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম আল ইমরান মিয়া (২৭)। তিনি সদ্য বিলুপ্ত রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ইমরান নগরীর বহরমপুর এলাকার আবদুল ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে নগরীর রাজিব চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ বলছে, ইমরানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি নগরীর বহরমপুর এলাকায় এক ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠে। চাঁদা না পেয়ে নির্মাণশ্রমিকের মাথা ফাটিয়ে দেন তিনি। এ নিয়ে নগরীর রাজপাড়া থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। এ দিকে একই অভিযোগে আরেকটি মামলা হয় তার বিরুদ্ধে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের জানান, ইমরান নগরীর দাশপুকুড়, বহরমপুর, তেরখাদিয়া ও বসুয়াসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসতেন। চাঁদার জন্য হুমকি দেয়া, ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চাঁদা আদায়ের জন্য তার ছিল নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী। স্থানীয় লোকজন তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেতেন না। তবে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মামলা হয়। এরপর ইমরান আত্মগোপনে যান। তবে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে তার চাঁদাবাজির কর্মকাণ্ড চলছিল।
বিষয়টি গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশের নজরে এলে তাদের একটি দল মঙ্গলবার রাতে নগরীর রাজিব চত্বর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, ইমরানের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় চাঁদাবাজির দুটি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি মামলাগুলো দায়ের করা হয়।