রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সালাম, জিয়া ও ইলিয়াসের রিমান্ড শুনানি চলছে। বুধবার (৬ অক্টোবর) সকালে এ শুনানি শুরু হয়।
এর আগে ৩ অক্টোবর গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে দুজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আসামিরা হলেন- উখিয়ার কুতুপালং ৭ নম্বর ক্যাম্পের সি ব্লকের নুর বশরের ছেলে মোহাম্মদ সেলিম (৩৩) ও কুতুপালং তিন নম্বর ক্যাম্পের রহিম উল্লাহর ছেলে শওকত উল্লাহ (২৩)।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ সেপ্টেম্বর এশার নামাজের পর লম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরে এআরএসপিএইচের কার্যালয়ে বসে কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে গল্প করছিলেন মুহিবুল্লাহ। এ সময় একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কয়েকজন সদস্য এসে পরপর পাঁচটি গুলি করে পালিয়ে যায়। মুহিবুল্লাহর বুকে তিনটি গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ মুহিবুল্লাহকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর বৃহস্পতিবার বাদ আসর উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ১-ইস্ট এ লাখো মানুষের উপস্থিতিতে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লম্বাশিয়ায় নিজ বাড়ি সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় উখিয়া থানায় বাদি হয়ে একটি মামলা করেছেন তার ভাই হাবিবুল্লাহ।