করোনার সংক্রমণ বাড়ায় সরকারের লকডাউনের সিদ্ধান্তে আবারো থমকে যাচ্ছে দেশের ক্রিকেট। আবারো ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন আইনের কারনে তৃতীয় দফায় স্থগিত হবার শঙ্কায় শ্রীলঙ্কা সফর। যদিও ক্রিকেটার আর বোর্ড পরিচালকরা আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে বিসিবি সূত্র। পাকিস্তান যুব দলের বাংলাদেশ সফরও স্থগিত হতে পারে। বাতিল হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নারী দলের সিরিজ। আর গেলো বছরের মতো আবারো অন্ধকারে ঘরোয়া ক্রিকেট।
ঠিক এক বছর আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে দেশের ক্রিকেট। করোনার সংক্রমণ ভয়ংকরভাবে বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হতে চলেছে। তাতেই অনিশ্চত আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া আসর।
যে শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে গত বছর এতো জলঘোলা হলো তা চূড়ান্ত হয়েও নতুন শঙ্কায়। টেস্ট সিরিজ খেলতে ১২ এপ্রিল ঢাকা ছাড়ার কথা টিম বাংলাদেশের। এক সপ্তাহের কোয়ারেন্টিন শেষে অনুশীলন আর ২১ এপ্রিল ক্যান্ডিতে প্রথম টেস্ট হবার কথা। তবে করোনার বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আবারো ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের নিয়ম করেছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ।
তবে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় বিসিবি। ক্রিকেটারদের সাথে আলোচনার পর ভার্চুয়াল বোর্ড সভায় লঙ্কা সফরের ভবিষ্যত নির্ধারণ হতে পারে। যদিও সোমবারই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণা করার কথা।
জাতীয় দলের মতো যুব দলের সিরিজও অনিশ্চিত। ১২ এপ্রিল পাকিস্তান যুবাদের ঢাকা আসার কথা। তবে লকডাউনের কারনে সিরিজটি স্থগিতের ঘোষণা আসতে পারে যে কোনো মুহূর্তে।
এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই রোববার শুরু হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ নারী দলের ওয়ানডে সিরিজ। দর্শকশূণ্য গ্যালারি আর বায়োবাবল নিশ্চিত করে সিরিজ চলমান রাখতে চায় বিসিবি।
জাতীয় লিগ বন্ধ হয়ে গেছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের তারিখ ঘোষণা হলেও পরিস্থিতির পরিবর্তনে তা অনিশ্চিত।
বিশের বিষ একুশেও নির্বিষ হয়নি, আর তাতেই আরো একবার থমকে যাচ্ছে দেশের ক্রিকেট।