গাড়ি নেই, পথে পথে বসানো চেকপোস্ট, মোতায়েন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আর চলছে না ফেরি। এত সব জেনেও হাজারো মানুষের শিমুলিয়া ঘাটে আসা আটকানো সম্ভব হচ্ছে না।
মাস্ক কিংবা কোনো সামাজিক দূরত্ব নেই, নেই কোন স্বাস্থ্যবিধির বালাই। এত ঝুকির মধ্যেও বাড়ি যেন যেতেই হবে। হাজারো মানুষের অপেক্ষা লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের। সেটা এলেই কেবল ফেরি মিলবে। অবশেষে অনেকের ভাগ্যে মিলেছেও। ঠায় ধারণের জায়গা না থাকলেও তারাই ফেরিতে উঠতে পারছেন যারা যেকোনো মূল্যে শিমুলিয়া পৌছাতে পেরেছেন। শুধু ঢাকা থেকে মানুষ যাচ্ছে এমন নয়। কাঠালবাড়ি থেকেও মানুষ বোঝাই করে ফেরি আসছে।
এ বিষয়ে শিমুলিয়া ফেরি ঘাটের বিআইডব্লিউটিসি’র এজিএম শফিকুল ইসলাম বলেন, লাশবাহী গাড়ি যাওয়ার জন্য যখন আমরা ফেরি যেতে দেই তখন লাশবাহী গাড়ি উঠার আগেই মানুষ লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি তবুও মানুষকে আটকানো যাচ্ছে না। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
বাড়ি যাওয়ার আনন্দের ভিড়ে হারিয়ে গেছে করোনা নিয়ে ভাবনা। ফেরিতে উঠা মানুষগুলোর খুশি হার মানিয়েছে করোনার ঝুঁকিকে। তবে এটি ভাবনার বিষয়। এর ফলাফল হতে পারে অত্যন্ত ভয়ানক।