ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিরোধী বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষে আহত নুরুল আমিন (২২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে শনিবারের সংঘাতে মৃতের সংখ্যা ৬ জন হলো। রোববার (২৮ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে মারা যান তিনি।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হন ও ১৩ জন আহত হন। নিহতরা হলেন নন্দনপুরের হারিয়া গ্রামের আবদুল লতিফ মিয়ার ছেলে জুরু আলম (৩৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২২), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে বাদল মিয়া (২৪), সদর উপজেলার কাউসার মিয়া (২৪) ও জোবায়ের (১৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে নন্দনপুর বাজার এলাকায় পুলিশ ও বিজিবির সাথে মোদিবিরোধী আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে কয়েকজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রানা নুরুস শামস গুলিবিদ্ধ হয়ে এই ৫ জনের মৃত্যুর খবর সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।