করোনা আক্রান্ত হয়ে ৭ এপ্রিল থেকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন লালন শিল্পী ফরিদা পারভীন। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় বাসায় নেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে বাসায় ফিরেছেন এ বরেণ্য শিল্পী।
সময় নিউজকে বিষয়টি জানিয়েছেন তার ছেলে ইমাম জাফর নোমানী। তিনি বলেন, ‘আম্মাকে আজকে আমরা বাসায় নিয়ে আসলাম৷ খানিকটা দুর্বলতা আছে এবং এখনও তিনি কোভিড নেগেটিভ হননি৷ তবে দৃশ্যতঃ কোনো জটিলতা না থাকায় ডাক্তারের পরামর্শে তাকে বাসায় আনা হল৷’
এর আগে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) ইমাম জাফর নোমানী সময় নিউজকে বলেছিলেন, ‘আম্মা খুব দ্রুতই সেরে উঠছেন। আলহামদুলিল্লাহ। দুই তিনের মধ্যে উনার আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। ফলাফল নেগেটিভ আসলেই বাসায় যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যাবে। আম্মার শরীরে করোনার তেমন উপসর্গ নেই। ডায়াবেটিস থাকার কারণে বাকি জটিলতাগুলোর পর্যবেক্ষণ করছেন চিকিৎসকরা।’
তিনি আরও বলেছিলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শে এখন আম্মাকে মোবাইলে কথা বলতে দিচ্ছি না। ফোনে কথা বললে ফুসফুসে প্রেশার পরে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি দেখে মনে হচ্ছে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে পারব। দোয়া করবেন আম্মার জন্য।’
১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুল সংগীত পরিবেশন শুরু করেন ফরিদা পারভীন। সাধক মোকসেদ আলী শাহর কাছে লালনসংগীতের তালিম নিয়েছেন তিনি। সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয় তাকে। ১৯৯৩ সালে সেরা প্লে-ব্যাক গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।