সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে, সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাফাই সাক্ষী ও জেরা করার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। আগামী ৬ই জানুয়ারি মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে।
মামলার অন্যতম আসামি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের পক্ষে শেষ সাফাই সাক্ষ্য দেন তিনি। ঘটনার দিন হাবিব ঢাকাতে ছিলেন জানিয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশা করেন রিজভী।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জী, সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন মৃধা ও সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড.আব্দুল লতিফ।
সরকারিপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল লতিফ বলেন, সাফাই সাক্ষী শেষ, যুক্তিতর্ক পরবর্তী ৬ জানুয়ারি, শিগগিরই মামলার রায় হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ধর্ষণের শিকার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে যান। এদিন তিনি কলারোয়া হয়ে মাগুরা ফিরে যাওয়ার পথে তার গাড়িবহর নিয়ে হামলার শিকার হন। সেখানে গুলি এবং মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুনরুজ্জীবিত মামলার বিচারকাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে এ মামলায় ২০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। এ মামলার ৫০ আসামির মধ্যে ১৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
কলারোয়া বিএনপি অফিসের সামনে গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ ওঠে তৎকালিন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দীন বাদী হয়ে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আশরাফ হোসেনসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত ৭০/৭৫ জনের নামে থানায় ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।