করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ডেউয়ের তোপের মুখেও ঈদে বাড়ি ফিরতে কোনো বাধাই মানছে না মানুষ। বিজিবি মোতায়েনের পরও ঘরমুখো মানুষের স্রোত ঠেকানো যাচ্ছে না। রাস্তায় রাস্তায় ভোগান্তি ও করোনার ঝুঁকিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে গন্তব্যে ফিরছে মানুষ।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফেরি ছেড়ে যাচ্ছে। তাই দূর্ঘটনার শঙ্কা উপেক্ষা করে যেভাবেই হোক বাড়ি যেতে হবে। যে যেভাবে পারছে ভীড় ঠেলে উঠছে ফেরিতে। তিল ধারণের ঠাই নেই ফেরিগুলোতে। কোনোরকমে গুটিশুটি হয়ে একটুখানি স্থান করে নিচ্ছেন সবাই।
মা ও নানির সঙ্গে ঘাটে এসেছিল একটি ছোট শিশু। বাড়ি যাবার উদ্দেশ্যেই শিমুলিয়া ঘাটে এসেছে তারা। শত চেষ্টা করে ফেরিতে উঠেছিল শিশুটির মা। তবে মা কোনোরকমে ফেরিতে উঠতে পারলেও ডাঙায় রয়ে যায় ছেলে ও তার নানি। নানির চোখে অনিশ্চয়তা নাতিকে নিয়ে মেয়ের কাছে পৌছাতে পারবেন কিনা। এদিকে অসহায় চোখে মায়ের চলে যাওয়া দেখছিল শিশুটি। অবশেষে মায়ের আর্তনাদে আবারো ঘাটে ভিড়ানো হয় ফেরিকে। আনন্দ আত্মহারা মা শেষপর্যন্ত ছেলেকে নিয়েই বাড়ি ফিরে।
এ নিয়ে শিশুটির মা বলেন, আমি ফেরি লোকদের বলছি আমার ছেলে ঘাটে রয়ে গেছে। পরে তারা আমাকে এখানে পৌছে দেয়।
এমন হাজারো মানুষের ভীড় ঠেলে বহু কষ্টে করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে বাড়ি যেতে ব্যাকুল মানুষজন। শিমুলিয়া ঘাটে ঘুরে এমন চিত্রই চোখে পড়ছে বেশ কদিন ধরে।