ads
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান নোয়াখালী: হাজতখানাকে বিয়ে বাড়ি বানালেন দুই আ.লীগ নেতা! মিউজিক্যাল ফিল্মে সুনেরাহ পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন ফ্যাসিস্ট আমলে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি: লুটপাট ভয়াবহ আদানির চুক্তি রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, সাবেক স্বামী গ্রেফতার বিসিসির সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোনারগাঁয়ে যুবলীগের নেতা-নেত্রী গ্রেপ্তার জকসু নির্বাচন: ভোট গণনা স্থগিত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ৫৮ বার পঠিত

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যার ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এই জোড়া হত্যার রহস্য উদঘাটনে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই সাংবাদিক দম্পতি খুন হওয়ার পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ১ দশকে ৬ বার তদন্ত কর্মকর্তা বদলেছে এবং র‌্যাব ও অন্যান্য সংস্থা তদন্ত শেষ করতে আদালত থেকে ৯৫ বার তারিখ নিয়েছে। কিন্তু এরপরেও তারা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

নিহতদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, হয় র‌্যাব দ্রুত মামলাটির সমাধান করুক। অন্যথায় ব্যর্থতা স্বীকার করে অন্য তদন্ত সংস্থার কাছে মামলাটি হস্তান্তর করুক।

হত্যাকাণ্ডের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় জোড়া খুনের মামলাটি করেছিলেন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “তারা (র‌্যাব) আসলে কিছুই করছে না। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের আন্তরিকতা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। তদন্ত কর্মকর্তারা প্রায়ই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাইলে তারা কোনো উত্তর দিতে পারেন না। ধীরে ধীরে আমরা ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা ছেড়ে দিচ্ছি।”

বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে তাদের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে ছিল এই দম্পতির একমাত্র সন্তান মাহির সরোয়ার মেঘ। তখন মেঘের বয়স ছিল ৫ বছর।

হত্যাকাণ্ডের পর রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির ২ নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের “বন্ধু” তানভীর রহমান খানসহ অন্তত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তানভীর ও পলাশ এখন জামিনে আছেন। বাকিরা কারাগারে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, “র‌্যাবকে কোনো বিলম্ব না করে এই মামলার তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতির তথ্য দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। আমরাও চাই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য যত দ্রুত সম্ভব উন্মোচিত হোক।”

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে স্মারকলিপি জমা দিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতারা ওই দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন।

সে সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা রায় দিতে পারি না। কিন্তু আমরা একটি তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারি। আমরা বছরের পর বছর ধরে চেষ্টা করছি। আমরাও চাই এই রহস্যের সমাধান হোক… আমি ডিআরইউর বার্তা র‌্যাব ডিজির কাছে পাঠাচ্ছি। আমি তাদের আদেশ দেবো যে, শিগগিরই কিছু বলুন।”

সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধীদের শনাক্ত করতে বা হত্যার পেছনের রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় ওই স্মারকলিপিতে হতাশা ব্যক্ত করেছে ডিআরইউ।

এতে বলা হয়, “বিচার না পাওয়ায় সাগর-রুনির পরিবারসহ পুরো সাংবাদিক সমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। আমরা দেখেছি যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বড় ধরনের হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে; যার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। তারা সাগর-রুনি হত্যা মামলার সমাধান করতে পারবে না, তা আমরা বিশ্বাস করি না।”

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ালি উল্লাহ
নির্বাহী সম্পাদক
নিউজ রুম :০২-৯০৩১৬৯৮
মোবাইল: 01727535354, 01758-353660
ই-মেইল: editor@sristybarta.com
© Copyright 2023 - SristyBarta.com
Develop By : BDiTZone.com
themesba-lates1749691102