শনিবার ভোর থেকেই ঢাকার আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনঘটা। সকাল ৮টার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়ে বৃষ্টি। দিনব্যাপী এভাবেই চলে ভারি বৃষ্টিপাত। এর পাশাপাশি হয় বজ্রপাতও। জানা গেছে, আজ সারাদিনে ঢাকায় ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
দিনভর বৃষ্টিতে উত্তরা, মিরপুর, ধানমন্ডি, রামপুরা থেকে শুরু করে বাড্ডা, মগবাজার, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। দিনের বড় সময়জুড়ে পানির নিচে ছিল ঢাকারে বিভিন্ন অঞ্চল। ফলে সৃষ্টি হয় যানজটের, দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসীরা। এ ছাড়া কর্মজীবী সাধারণ মানুষরাও উভয় সংকটে পড়েন।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা বিকল। পানি নিষ্কাশনের তেমন ব্যবস্থা না থাকায় হালকা বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকাজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক অভিযোগ করলেও এর প্রতিকার মেলেনি।
এদিকে আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ এলাকায় অবস্থান করছে। এর মাঝে একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইয়াঙ্গুন উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। সেটা আরো অগ্রসর হওয়ার জন্য আবহাওয়াগত পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে।
এমতাস্থায় আগামীকাল রোববার (৬ জুন) সকাল পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জায়গায়, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-একটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।