কয়েকটি রিক্রুটিং এজেন্সি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী পাঠাতে চাওয়ায় দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক হওয়ার পরও বাংলাদেশিদের জন্য খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বায়রা সিন্ডিকেটবিরোধী মহাজোটের’ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। এতে বলা হয়, রুহুল আমিন স্বপন সিন্ডিকেটের মূলহোতা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহাজোটের সংগঠক এবং রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সংগঠন বায়রার সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী। কথা বলেন সাবেক সভাপতি আবুল বাশার, সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মালয়েশিয়া ১৩টি দেশ থেকে কর্মী নেয়। অন্য দেশগুলো থেকে সব রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিলেও বাংলাদেশ থেকে ২০১৬ সালে নিয়েছে ১০ রিক্রুটিং এজেন্সির সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। এতে ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে। এ কারণে দুই বছরের মধ্যে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে মালয়েশিয়া। এবারও সিন্ডিকেট তৎপর হয়েছে। ২৫টি এজেন্সি সিন্ডিকেট করে কর্মী পাঠাতে চাচ্ছে।
আবুল বাশার বলেন, অতীতে ১০ এজেন্সির সিন্ডিকেটের কারণে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছিল। এবারও সিন্ডিকেট হলে ব্যয় আরও বাড়বে। ১০ এজেন্সির সিন্ডিকেটের অনেকে কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি করেছে। কর্মীদের কাছ থেকে ৩৭ হাজার টাকা নেওয়ার পরিবর্তে তিন থেকে চার লাখ টাকা নিয়েছে। দেশ থেকেই টাকা পাচার করেছে।
আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, একটি চক্রের সহায়তায় মালয়েশিয়ার কিছু লোক বাংলাদেশকে ‘মানি মেকিং মেশিন’ বানানোর চেষ্টা করছে। সিন্ডিকেট হলে আগের মতো অনিয়ম, দুর্নীতি ও অভিবাসন ব্যয় বাড়বে।
শামীম আহমেদ চৌধুরী বলেন, বৈধ লাইসেন্সধারী সব এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দিতে হবে। বায়রা ঐক্য পরিষদের সভাপতি টিপু সুলতান বলেন, অতীতে যারা সিন্ডিকেট করেছিল, তাদের দু-একজন বাদে সবাই ২৫ এজেন্সির সিন্ডিকেটে আছেন। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রুহুল আমিন স্বপন।